ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের ১২ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে ভেসে উঠছে ক্ষতচিহ্ন, বাড়ছে জনদুর্ভোগ। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর, যোগাযোগ ব্যবস্থা, খাবার, সুপেয় পানির সংকট ও পানিবাহিত রোগের আক্রমণে দিশেহারা এই জনপদের মানুষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ভূবনকুড়া ইউনিয়নের ঝলঝলিয়া, বেতকুড়ি ও বাঘাইতলা গ্রামের অধিকাংশ মাটির বাড়ি ধসে পড়েছে। গৃহহারা হয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছে অসংখ্য মানুষ। জীবিকা হারানো ও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তীব্র হয়েছে সুপেয় পানির সংকট। পানিবন্দী দশা থেকে রেহাই পেলেও নষ্ট হয়েছে অসংখ্য ঘর-বাড়ি, তলিয়ে গেছে হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান, সবজি ক্ষেত ও ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন অনেক খামারি ও কৃষক।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এমন পরিস্থিতিতে সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। অনাহারে-অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছেন তারা। রাস্তাঘাট ভেঙ্গে অসংখ্য খানা-খন্দের সৃষ্টি হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় বাড়ছে ডায়রিয়া ও কলেরার মতো পানিবাহিত রোগের সংক্রমণ।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রাণেশ চন্দ্র পন্ডিত বলেন, ইতোমধ্যে পানিবাহিত ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তাদের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
