গত ১১ অক্টোবর বিবিসি বাংলায় ‘আওয়ামী ভোটব্যাংক’ কিংবা ‘ভারতপন্থী তকমা’ থেকে বের হতে চান হিন্দু নেতারা - শিরোনাম শীর্ষক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত সংবাদটি পরদিন ১২ অক্টোবর দৈনিক ইত্তেফাকে হুবহু তুলে ধরা হয়। এ সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসকন বাংলাদেশের সভাপতি সত্য রঞ্জন বাড়ৈ।
প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেছেন, আপনার বহুল প্রচারিত পত্রিকায় 'আওয়ামী ভোটব্যাংক কিংবা ভারতপন্থী তকমা থেকে বের হতে চান হিন্দু নেতারা' - শিরোনামে যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে তা দেখে আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। উক্ত সংবাদে কিছু তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। প্রকাশিত সংবাদে চট্টগ্রামের ইসকন নেতা এবং পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে উপস্থাপন করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। প্রকৃত সত্য এই যে, সাংগঠনিক অসদাচণের দায়ে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে স্ব পদ থেকে ইতোপূর্বে বহিস্কার/অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। তিনি ইস্কন বাংলাদেশের অধীনস্ত কোন সাংগঠনিক পদে আসীন নন এবং তার সাথে ইসকন বাংলাদেশের কোন প্রকার সাংগঠনিক কার্যকলাপে যুক্ত না থাকার জন্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে লিখিত বিবৃতি প্রদানের মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম ইস্কনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন ইস্কন বাংলাদেশ এর সাধারণ সম্পাদক শ্রী চারু চন্দ্র দাস ব্রহ্মচারী। বর্তমানে পুণ্ডরিক ধামের অধ্যক্ষ পদটি খালি আছে এবং শিগগিরই উক্ত পদে নিয়োগ করা হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের পূর্বে তা যথাযথ ভাবে যাচাই-বাছাই করার অনুরোধ করা হলো। তাই আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটির বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্যের সংশোধন প্রকাশ করা হোক।
