টাঙ্গাইলের সখীপুরে দুই শিক্ষক দম্পতির চার যমজ সন্তান এবার একসঙ্গে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। যমজ সন্তানদের এমন সাফল্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ এলাবাসীর মধ্যে আনন্দ বয়ে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার এইচএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে হলিক্রস কলেজ ও কুমুদিনী সরকারি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ হতে তারা জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।
আবু জুয়েল সবুজ ও চায়না আক্তার শিক্ষক দম্পতির যমজ সন্তান যারীন তাসনীম ও যাহরা তাসনীম হলিক্রস কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এবার এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে। তারাও পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছিল। তাদের বাড়ি উপজেলার কচুয়া গ্রামে।
যারীন ও যাহারার বাবা আবু জুয়েল সবুজ বলেন, আমি মেয়েদের পড়ার জন্য চাপ দিইনি, তারা তাদের মতো পড়াশোনা করে ভালো ফলাফল করেছে। তিনি আরও জানান, যারীন তাসনিম প্রকৌশলী এবং যাহরা তাসনিম চিকিত্সক হওয়ার জন্য ভবিষ্যত্ পরিকল্পনায় পড়াশোনার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
যারীন ও যাহারা বলেন, আমরা নিয়মিত পড়াশোনা করেছি এবং পরিশ্রম অনুযায়ী সাফল্য পেয়েছি। আমরা যাতে সামনে বুয়েট এবং ঢাকা মেডিকেলে চান্স পেয়ে বাবা-মার মুখ উজ্জ্বল করতে পারি সে জন্য সবার কাছে দোয়া প্রত্যাশা করেন।
সখীপুর পৌরশহরের আল আমিন মিয়া ও আফিয়া আক্তার দম্পতির সন্তান সামিয়া জাহান আফসানা ও সাদিয়া জাহান শাহানা সরকারি কুমুদিনী সরকারি কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে। তারা পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষাতেও জিপিএ-৫ পেয়েছিল।
শাহানা ও আফসানার বাবা আল আমিন মিয়া বলেন, আমরা দুজনেই শিক্ষকতা পেশায় থাকার কারণে মেয়েদের সময় দিতে পারিনি। তবে মেয়েরা পড়াশোনার বিষয়ে খুবই মনোযোগী ছিলো বলেই তারা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে।
আফসানা ও শাহানা বলেন, আমাদের ভালো ফলাফলে বাবা-মার পাশাপাশি শিক্ষকদের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে। ভবিষ্যতে তারা দুজনেই চিকিত্সক হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
