তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে আমার কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আমাকে ফোন করেও জানানো হয়েছে যে, আমি এই কমিটিতে আছি। আমি চলচ্চিত্রের মানুষ এটা আমার বড় পরিচয়। সেই পরিচয়কে সম্মান জানিয়েই হয় তো এ কমিটিতে রাখা হয়েছে আমাকে। চলচ্চিত্র ভালোবাসি আমি। চলচ্চিত্রের কথা পার্লামেন্টেও বলি। এ কমিটিতে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবেই আরো কিছু দায়িত্ব বাড়লো। সেই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার চেষ্টা করবো। আমাদের দেশে মানুষের সবচেয়ে বড় বিনোদনের মাধ্যম হলো চলচ্চিত্র। দেশের সব শ্রেণির মানুষ এক সময় দেশের সিনেমা দেখেই বিনোদন পেতো। এখন উচ্চ শ্রেণির মানুষের বিনোদনের অনেক মাধ্যম আছে। কিন্তু মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষদের সেই সিনেমার দিন আর নেই। চলচ্চিত্রে ধস নেমেছে। সবসময় শুনতে হচ্ছে আমাদের এটা নেই, সেটা নেই। আমাদের সঙ্কটগুলো নিয়ে কথা বলা উচিত। আমি মনে করি এখানে এক্সিবিউটর, প্রজেকশন নিয়ে সমস্যা আছে। এখন ডিজটাল সিস্টেমের বাইরে গিয়েও সিনেমা দেখা যাবে না। আমি নিজেই প্রোডিউসার, ডিস্ট্রিবিউটর, এক্সিবিউটর, অভিনেতা ছিলাম। তাই আমাদের কী কী সমস্যা আমি সব জানি। এই কমিটিতে আরো যাঁরা আছেন তাঁরাও সবাই অভিজ্ঞ লোক, তাঁরাও জানেন। শিগগিরই হয়তো একসঙ্গে বসা হবে আমাদের।
চলচ্চিত্রের অবস্থা ও উন্নয়নের পদক্ষেপ প্রসঙ্গে
বরেণ্য অভিনেতা ফারুক
