স্পোর্টস ডেস্ক
স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারের নিষেধাজ্ঞা বিষয়ক জটিলতা কাটিয়ে গেল একটা বছর বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বড় উন্নতি করেছিল অস্ট্রেলিয়া দল। তারপরও সেমিফাইনালে গিয়েই থামতে হলো তাকে। অস্ট্রেলিয়া শেষ চারের লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আট উইকেটের বড় পরাজয় বরণ করে ছিটকে গেছে। অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ মনে করছেন, এটা ছিল চলতি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বাজে দিন।
ফিঞ্চ বলেন, ‘এটা ছিল চলতি বিশ্বকাপে আমাদের সবচেয়ে বাজে দিন। আমরা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছি। আমরা ধারণা করেছিলাম সিম বলে কিছুটা সংগ্রাম করতে হবে। কিন্তু তারা দারুণ লাইন-লেন্থ বজায়ে রেখে এবং স্টাম্প টু স্টাম্প বোলিং করেছে। সঠিক পথে ফেরার জন্য আমাদের অনেক কিছুই ছিল। তাদেরকেও বোল্ড আউট করার প্রয়োজন ছিল। উইকেট নেয়ার জন্য আমরা চেষ্টাও করেছি। কিন্তু আপনি যখন বল হাতে আগ্রাসি হবেন এবং তারা ব্যাট হাতে আগ্রাসি হবে তখন বেশ দ্রুতই অনেক কিছু ঘটতে পারে।’
অসিদের স্বল্প রানে বেঁধে ফেলার পর ইংলিশ ওপেনার জেসন রয়ের ৬৫ বলে ৮৫ রান ও জনি বেয়ারস্টোর ৩৪ রানে উদ্বোধনী জুটিতে ১২৪ রানের পার্টনারশিপ ম্যাচটিকে চ্যাম্পিয়নদের নাগালের বাইরে নিয়ে যায়। অধিনায়ক ফিঞ্চ বলেন, ‘তারা খুবই খেলেছে। আমরা জানি শীর্ষে পৌঁছানোর জন্য তারা কতটা প্রধান্য বিস্তার করে খেলেছে। ইংল্যান্ড একটি খুব ভালো ক্রিকেট দল পেয়েছে।’
লর্ডসে গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডকে বেশ সহজেই হারিয়ে দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ৯ ম্যাচের সাতটিতে জয়ের মাধ্যমে সহজে সেমি-ফাইনালও নিশ্চিত করেছিল অস্ট্রেলিয়া। বিগত সাত বিশ্বকাপের আসরে এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তবে ফিঞ্চ বলেন দলের সফলতায় তিনি গর্বিত। যদিও ১২ মাস আগে ওয়ানডে সিরিজে ইংল্যান্ডের কাছে ৫-০ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হয়েছিল তারা।
অসি অধিনায়ক বলেন, ‘এই টুর্নামেন্টে আমাদের অনেক ইতিবাচক দিক রয়েছে। এক বছর আগে আমরা যখন ইংল্যান্ড সফরে এসেছিলাম, সেখান থেকে এখন আমরা অনেক দূর পাড়ি দিয়ে এসেছি। শিরোপা জয়ের লক্ষ্যেই আমরা এখানে এসেছিলাম। আমরা প্রতিরক্ষার একটি দেয়ালও রচনা করেছিলাম। দলটি যেভাবে উন্নতি লাভ করেছে তাতে আমি গর্বিত। তবে এই পরাজয় আমার হূদয় ভেঙে দিয়েছে।’ —বাসস/ টাইমস অব ইন্ডিয়া
