নগর সংস্কৃতি
ইত্তেফাক রিপোর্ট
বাংলা নাট্যাঙ্গনের বিরল প্রতিভাধর আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। তার হাত ধরেই এদেশের নাটক শিল্প ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যায়। বাংলা নাটককে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করার পেছনের সফল কারিগরও তিনি। নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও রেখেছেন নান্দনিকতার ছাপ। আজ ১৩ জুলাই শনিবার শৈল্পিক নাট্যকার, অভিনেতা, নির্দেশক ও চলচ্চিত্রকার আব্দুল্লাহ-আল-মামুনের ৭৭তম জন্মদিন। শিল্পের এগুণী কারিগরের জন্মদিন উদযাপনে শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে দুদিনের অনুষ্ঠানমালা।
শুক্রবার সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে শুরু হয়েছে জন্মজয়ন্তীর এ আয়োজন। যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে শিল্পকলা একাডেমি ও শীর্ষস্থানীয় নাটকের দল থিয়েটার। গতকাল সন্ধ্যায় আব্দুল্লাহ-আল-মামুন রচিত ও নির্দেশিত ‘মেরাজ ফকিরের মা’ নাটকটির ১৯৮ ও ১৯৯তম প্রদর্শনীর মঞ্চায়ন করে থিয়েটার।
ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে মানবিকতার দ্বন্দ্ব নিয়েই বিন্যস্ত হয়েছে ‘মেরাজ ফকিরের মা’। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন—রামেন্দু মজুমদার, ফেরদৌসী মজুমদার, ত্রপা মজুমদার, মজিবর রহমান জুয়েল, তানজুম আরা পল্লী, মারুফ কবির, সাইফ জোয়ারদার, আবদুল কাদের, তোফা হোসেন প্রমুখ।
জন্মোত্সব আয়োজনের শেষ দিন আজ শনিবার বিকালে একাডেমির সেমিনার রুমে অনুষ্ঠিত হবে ‘বর্তমান প্রেক্ষিতে নাট্য প্রযোজনা ও অভিনয়’ শীর্ষক আব্দুল্লাহ-আল-মামুন স্মারক বক্তৃতানুষ্ঠান।
ছায়ানটের শ্রোতার আসরে নজরুলের গান
ছায়ানট গতকাল শুক্রবার নিয়মিত শ্রোতার আসরে নজরুল সংগীত সন্ধ্যার আযোজন করে। শিল্পীদের গানে প্রাধান্য পায় বর্ষার গান। অনুষ্ঠান শুরু হয় শিল্পী অমিত আচার্য হিমেলের কণ্ঠে ‘গগনে প্রলয় মেঘের মেলা’ এ গান দিয়ে। এর পর শিল্পী গেয়ে শোনান ‘তুমি দিলে দুঃখ অভাব’, শিল্পী আনিলা আমির লামী শোনান ‘মালা গাঁথা শেষ না হতে’ ও ‘হে প্রিয় আমারে দিব না ভুলিতে’, অনামিকা সরকার সোমা শোনান ‘একেলা গোরী জলকে চলে’ ও ‘মেঘ-মেদুর বরষায়’, শরিফুর রহমান শোনান ‘দাঁড়ালে দুয়ারে মোর’ ও ‘তুমি যদি রাধা হতে শ্যাম’, সানজিদা রহমান মীম শোনান ‘শ্রান্ত ধারা বালুতটে’ ও ‘কে নিবি ফুল’, নাওশিন তাবাসসুম অমি শোনান ‘অন্তরে তুমি আছ চিরদিন’ ও ‘রিম ঝিম রিম ঝিম’, জারিন সুবাহ পরিবেশন করেন ‘মাটির প্রতিমা পূজিস রে তোরা’ ও ‘জানি জানি প্রিয়’, ধ্রুব সরকার শোনান ‘আমি গগন গহনে’ ও ‘মাগো চিন্ময়ী রূপ ধরে আয়’, শুক্লা সরকার শোনান ‘শাওন আসিল ফিরে’ ও ‘আধো ধরণি আলো’, মৌসুমী সাহা শোনান ‘সংসারেরি দোলনাতে মা’ ও তোমার বুকের ফুলদানিতে’।
