চুয়াডাঙ্গায় চকলেটের লোভ দেখিয়ে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০১৯, ০০:৩০

চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলায় চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। শিশুটিকে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আবদুল মালেককে (৫৫) এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ ও এলাকাবাসী বলছেন, শিশুটির বাবা সদর উপজেলার পদ্মবিলা ইউনিয়নের ভ্যানচালক। ঐ ইউনিয়নে শ্বশুরবাড়িতে থাকে আবদুল মালেক নামে এক ব্যক্তি। বুধবার দুপুরে বাড়ির পাশে খেলা করছিল মেয়েটি। ঐ সময় আবদুল মালেক চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে শিশুটিকে তার ঘরে নিয়ে যায়। বাড়িতে লোকজন না থাকার সুযোগে মালেক শিশুটিকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে না জানাতে শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখায়।

শিশুটির পরিবার জানায়, সেদিন দুপুরে শিশুটিকে গোসল করাতে গিয়ে তার দাদি রক্তের দাগ দেখতে পান। শিশুটির কাছে জানতে চাইলেও ভয়ে বাড়ির কাউকে কিছু বলেনি সে। বুধবার রাতে যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়ে শিশুটি। একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির লোকজনের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে। শিশুটি জানায়, এর আগেও একাধিকবার তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরেও শিশুটিকে ঘরে ডেকে নেয় আবদুল মালেক। খবর পেয়ে শিশুটির মা ঐ বাড়িতে গেলে মালেক কৌশলে পালিয়ে যান।

পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমান ও পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী সদর হাসপাতালে যান এবং শিশুটির চিকিত্সার খোঁজখবর নেন। পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের জানান, শিশুটিকে সদর হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিত্সা দেওয়া হচ্ছে। তার শারীরিক পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পলাতক আবদুল মালেককে ধরতে জেলা ও সদর থানার পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।