প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০২৪, ১৭:৩৬

গত ০৯ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে 'দৈনিক ইত্তেফাক' পত্রিকার অনলাইনে 'এ সি আই মটরস লিমিটেড পিডি মিলেমিশে সর্বনাশ' শিরোনামে প্রচারকৃত প্রতিবেদনটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমরা মনে করছি উক্ত প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ অনুমান নির্ভর এবং প্রকাশিত তথ্যগুলো সঠিক নয়।

খবরের প্রথম প্যারায় ২০০৯ সালে চালু করা খামার যান্ত্রিকীকরন প্রকল্পে এ সি আই মটরসের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে ঐ সময়ে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ছিল প্রায় ৮ টি এবং সরবরাহকৃত পাওয়ার টিলার ও ট্রাক্টরের প্রায় ৭৩ শতাংশই সরবরাহ করে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। যাদের কথা এখানে বলাই হয়নি।

দ্বিতীয় প্যারায় উল্লেখ্য করা হয়েছে ২০২০ সাল পর্যন্ত অন্য কোন কোম্পানিকে এনলিস্টেড করতে দেয়া হয়নি। অথচ ২০২০ সালে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ছিল ১৮ টি।

দ্বিতীয় পাতায় উল্লেখ করা হয়েছে কিশোরগঞ্জে ১৯ টি কম্বাইন হারভেষ্টার বরাদ্দ দেয়া হয়। যার মধ্যে মাত্র ৩ টি এসি আই মটরস সরবরাহ করে বাকি সবগুলোই অন্যান্য কোম্পানি সরবরাহ করে। আর এ সি আই মটরসের সরবরাহকৃত হারভেষ্টার সমূহ অদ্যাবধি চলমান আছে।

উল্লেখ্য যে প্রকাশিত রিপোর্টে অসাধু সিন্ডিকেটের কথা বলা হয়েছে। যেহেতু উক্ত প্রকল্পে সরাসরি কৃষকের চাহিদা ও সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তার অনুমোদনের ভিত্তিতে কৃষক নির্বাচন হয় এবং পরবর্তীতে কৃষক তার পছন্দ অনুযায়ী পণ্য ক্রয় করে সেহেতু প্রকল্পের সাথে কোম্পানির কর্মকর্তার কোন সংশ্লিষ্টতার সুযোগ এখানে নেই। এমতাবস্থায় কাওকে আর্থিক সুবিধা প্রদান করার মত সংবাদ প্রসঙ্গহীন।

২য় পাতার ৩য় প্যারায় উল্লেখ্য করা হয়েছে যে, কৃষি যন্ত্র মেরামত বাবদ ১৪ কোটি ও পরিবহন বাবদ ৫ কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। যার কোন সম্পৃক্ততা এ সি আই মটরসের সাথে নেই। এটা প্রজেক্টের একান্ত নিজস্ব খরচ।

প্রকল্পের শুরু থেকে অদ্যাবধি এ সি আই মটরস অত্যন্ত সফলতার সহিত সব ধরনের কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে আসছে। সেই সাথে মাঠপর্যায়ে যে কোন ধরনের সমস্যা হলে সাথে সাথে সার্ভিস প্রদান করে। যা কিনা দেশের যান্ত্রিকরন কে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

সেই সাথে হাওর অঞ্চলে ধান কাটার সমস্যার সমাধান সহ দেশের কৃষিকে আধুনিকায়নে এ সি আই মটরসের অবদানের কথা সারা দেশব্যাপী সবাই সুনামের সহিত স্মরণ করে, মাঠ পর্যায়ে খোজ নিলে তার প্রমাণ মিলবে। উপরন্তু করোনা মহামারীর সময় এ সি আই মটরসের কর্মচারী বৃন্দ নিজেদের জীবন বাজি রেখে কৃষক পর্যায়ে কম্বাইন হারভেষ্টার সরবরাহ করে। এই বিষয় গুলো উল্লেখ্য না করে শুধুমাত্র অনুমান ভিত্তিক এই ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী সংবাদ প্রকাশ করা মোটেই সমীচীন বলে মনে করি না।

ইত্তেফাক/টিএইচ