গত কয়েক দিন ধরে অবিরাম বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে বগুড়ার সারিয়াকান্দির নিকট যমুনা ও বাঙালি নদী পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বন্যার পানির তীব্র স্রোতের কারণে চালুয়াবাড়ি ইউনিয়নের ১৪০টি পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে ও বাঙালি নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় উপজেলার কাজলা, কর্ণিবাড়ি , বোহাইল, চালুয়াবাড়ি, চন্দনবাইশা, হাটশেরপুর, কুতুবপুর, সারিয়াকান্দি সদর, কামালপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চল ও যমুনার তীরবর্তী এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি মাদ্রাসা, ১টি হাইস্কুলে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। বন্যায় চরাঞ্চলের কৃষকের আউশ, পাট, রোপা আমন, বীজতলা, শাকসবজি তলিয়ে গেছে।
আরো পড়ুন : রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে দুইজন নিহত
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সিদ্ধার্থ ভোমিক জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য কন্টোল রুম খোলা হয়েছে। বন্যায় আক্রান্ত লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার, চাল ডাল বিতরণ করা হবে।
চালুয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আলী জানান, বন্যার পানিতে চালুয়াবাড়ি ইউনিয়নের সুজানের পাড়া ২৫টি পরিবার, উত্তর হাটবাড়ি ২০টি, বহুলাডাঙ্গা ২০টি, উত্তর শিমুল তাইড় ৩০টি, ভাঙ্গরগাছা ১৫টি বিরামের পাঁচগাছী গ্রামে ৩০টি পরিবারসহ সর্বমোট ১৪০টি পরিবার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
ইত্তেফাক/ইউবি
