সাভারে রানা প্লাজা ধ্বসে পড়ায় ক্ষতিগ্রস্তদের স্থায়ী পুনর্বাসন ও সুচিকিৎসা প্রদানসহ ৭ দফা দাবিতে মানবন্ধন ও সমাবেশ করেছেন শ্রমিকরা।
শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সকালে সাভার প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচী পালন করা হয়। এতে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় আহত-নিহতের স্বজনেরা অংশগ্রহণ করেন।
তাদের ৭ দফা দাবিগুলো হলো, রানা প্লাজা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত গার্মেন্টস মালিক, ভবন মালিক, সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিসহ সকলকে গ্রেপ্তার করে শাস্তি নিশ্চিত করা। রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের নামে সরকারি জায়গা বরাদ্দ দিয়ে স্থায়ী পুনর্বাসন করা। আহত শ্রমিকদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা। রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের অনুদানের টাকা আত্মসাৎকারীদের কাছ থেকে টাকা উদ্ধার করে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক পরিবারকে দিতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকের সন্তানদের উচ্চ শিক্ষার জন্য সরকারি অনুদানের ব্যবস্থা করা। যে সব ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করা হয়নি তাদের অ্যাকাউন্ট করা এবং রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের অনুদানের টাকা আত্মসাৎকারী রাজনৈতিক নেতা, শ্রমিক নেতা ও এনজিওদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে বক্তারা বলেন, রানা প্লাজা শ্রমিকদের নামে কোটি কোটি টাকা সরকারিভাবে অনুদান আসলেও সেই টাকা শ্রমিকদের পুনর্বাসন ও চিকিৎসায় ব্যয় না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। অর্থের অভাবে শ্রমিকরা চিকিৎসা নিতে পারছে না। চিকিৎসার জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করা হলেও এখান থেকে শ্রমিকদের কোনো সহযোগিতা না করে টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সাবেক মন্ত্রী-এমপি ও আমলাসহ শ্রমিক নেতাদের বিচার করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক শাহ আলম হোসেন, রানা প্লাজার শ্রমিক নুরুল ইসলাম, কবির, নিলুফা আক্তারসহ রানা প্লাজা ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের দাবি আদায়ে আন্দোলন নামে গঠিত ১৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সদস্য ও তাদের স্বজনরা।
