ভারী বর্ষণে ফের ডুবেছে চট্টগ্রাম

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০১৯, ২২:২৮

ভারী বর্ষণে ফের ডুবেছে বন্দরনগরী। হাঁটু থেকে কোমর পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন এলাকা। গতবারে পানি জমেনি এমন এলাকাও গতকাল শনিবার বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। সীমাহীন দুর্ভোগে পড়ে নগরবাসী। নগরী ছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে সয়লাব হয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে মানুষ।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আরো দুই/এক দিন বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ সময় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। দুদিনের ব্যবধানে ফের বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম নগরী। নগীর ষোলশহর ২ নম্বর গেইট, বহদ্দারহাট, চকবাজার, প্রবর্তক মোড়, আগ্রাবাদ, হালিশহর,নাসিরাবাদ,পাঁচলাইশ, বায়েজিদ, বাকলিয়া,চাক্তাই,খাতুনগঞ্জসহ নিচু এলাকায় পানিতে সয়লাব হয়ে যায়। স্থবির হয়ে পড়ে মানুষের জীবনযাত্রা। বেলা ১টার পর বৃষ্টি কমলে পানি নামতে শুরু করে। জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিচ তলার বাসাবাড়ি, দোকানপাটে ঢুকে পড়ে। দোকানের মালামাল পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে যায়। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্যবসায়ীরা। বাসাবাড়িতে ঢুকে পড়া পানিতে আসবাবপত্রের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশনে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা সেনাবাহিনীর ৪০ জন সদস্য চার গ্রুপে ভাগ হয়ে কাজ করছে। তারা নালা ও খালে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী পলিথিন ও আবর্জনা সরিয়ে দিচ্ছে। এছাড়া কোনো জায়গায় কীভাবে পানি জমে জলাবদ্ধতা   সৃষ্টি করছে সেসব কারণ চিহূিত করছে।

এছাড়া ভারী বর্ষণে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। বৃষ্টির পানির পাশাপাশি উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল বন্যার সৃষ্টি করেছে। সাতকানিয়া, লোহাগাড়া,চন্দনাইশ,বাঁশখালী,আনোয়ারা,পটিয়া,ফটিকছড়ি,রাউজান,রাঙ্গুনিয়া এলাকায় পানিতে সয়লাব হয়ে গেছে। মাছের ঘের ও পুকুর ডুবে মাছ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে মত্স্য চাষিরা।