জমি অধিগ্রহণে ফিল্ডবুক তৈরি শেষ চলছে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রক্রিয়া

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০১৯, ২২:৪১

সৈয়দপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা

সৈয়দপুর অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরকে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীতকরণ প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের প্রথম পর্যায়ের ফিল্ড বুক তৈরি শেষ হয়েছে। এখন অধিগ্রহণ করা ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণের অর্থ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। নীলফামারী জেলা প্রশাসন, সিভিল এভিয়েশন, সৈয়দপুর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও বন বিভাগের সমন্বিত সভার পর অর্থ প্রদান প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে। ফিল্ড বুক তৈরির জরিপের সঙ্গে জড়িত সৈয়দপুর উপজেলা ভূমি দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উন্নীতকরণ প্রকল্পের জন্য নতুন করে ৯১২ দশমিক ৯০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এসব জমির মধ্যে সৈয়দপুরের বাঙ্গালীপুর ইউনিয়ন এবং পার্বতীপুর উপজেলার বেলাইচন্ডী ইউনিয়নভুক্ত জমি রয়েছে।

সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার জানান, জমি অধিগ্রহণের চিহ্নিত সীমানায় ফিল্ড বুক তৈরির জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। জরিপে জমির মালিকানা, স্থাপনার ধরন ও বনজ সম্পদের তথ্য নিরূপণ করা হয়েছে। এখন ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় জেলা প্রশাসন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও বন বিভাগের আন্তঃবৈঠক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়ার বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে। এজন্য প্রশাসনিক পর্যায়ে কাজ চলছে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উন্নীতকরণ প্রকল্প সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্ত। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হয়েছে।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম গোলাম কিবরিয়া জানান, ইতিমধ্যে ফিল্ড বুক তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। যা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। চলতি মাসেই জমি মালিকদের নোটিশ দেওয়া হবে। এর পরেই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

উল্লেখ্য, প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ নেপাল, ভুটান ও চীনের সঙ্গে উত্তর জনপদে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সৈয়দপুর অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করা হচ্ছে। ২০১৭ সালে দশম জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বেসামরিক বিমান মন্ত্রণালয়। ২০২০ সালে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্যস্থির হয়েছে।