অগ্নি দুর্ঘটনারোধে গ্রীণ রোড, পান্থপথ ও ধানমন্ডিতে ভবন মালিকদের সর্তক করেছে রাজউক

আপডেট : ২৬ নভেম্বর ২০২৪, ২১:৩৮

কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তির নিশ্চিয়তার লক্ষ্যে মানুষের শহরমুখী হওয়ার প্রবণতা বেড়েই চলছে, ফলশ্রুতিতে দ্রুত গতিতে  রাজধানীঢাকা শহরের জনসংখ্যা ক্রমেই বেড়েই চলছে। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে শহরে বসবাসরত সকল মানুষের সেবা নিশ্চিতকরণসহ জান-মালের নিরাপত্তা বিধান করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই রাজধানীর গ্রীণ রোড, পান্থপথ ও ধানমন্ডি এলাকায় অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক আছে কি না তা পরিদর্শন করে ভবন মালিকদের সর্তক করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে (রাজউক) সাবজোন ৫/২ এর ‍দুইটি বিশেষ টিম। 

রাজউকের সাবজোন ৫/২ এর আওতাধীন এলাকায় বিদ্যমান অনাবাসিক (শিল্প কারখানা, হাসপাতাল, মার্কেট, দোকান ইত্যাদি অগ্নি দুর্ঘটনা হ্রাস, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য, নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে রাজউকের সাবজোনের টিম-১ লিডার কাওছার আহমেদ, সহকারী অথরাইজড অফিসার এবং টিম-২ লিডার আব্দুল্লাহ আল নোমান, সহকারী অথরাইজড অফিসারে নেতৃত্বে (সহকারী অথরাইজড অফিসার, প্রধান ইমারত পরিদর্শক ও ইমারত পরিদর্শক) ২টি টিমের মোট ১৪ সদস্য মিলে পরিদশর্ন করেন। 

পরিদর্শন টিমগুলো গত ১১ নভেম্বর হতে আজ ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত গ্রীণ রোড, পান্থপথ ও ধানমন্ডি এলাকার  নিম্নোক্ত ১৬টি ইমারত পরিদর্শন করেন। 

পরিদর্শন করা ভবনগুলো,- গ্রীন রোডের ভিশন আই হসপিটালের দুইটি বেসমেন্টসহ ১৪ তলা ভবন। কমফোর্ট নার্সিং হোম প্রা. লিমিটেডের, একটি ১০ তলা ভবন। এসআইবিএল ফাউন্ডেশন হাসপাতাল একটি ১০ তলা ভবন। গ্রীণ লাইফ হাসপাতাল লি. এর  ১৫ তলা ভবন।

পান্থপথের বিআরবি হসপিটালস লি. এর ১৫ তলা ভবন। হেলথ এন্ড হেলপ হাসপাতালের ৯ তলা ভবন। ল্যাব এইড ক্যান্সার হাসপাতালের ১৪ তলা ভবন। ফিরোজ টাওয়ারের ১৫ তলা ভবন। শমরিতা হাসপাতাল লি. এর ১২ তলা ভবন। নাভানা রিয়েল এস্টেট লি. এর ১৭ তলা ভবন। বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স এর ২০ ভবন। 

ধানমন্ডি সাত মসজিদ রোডের গাউছিয়া টুইন পিকের ১৪ তলা ভবন। রূপায়ন জেডআর  প্লাজার ১৩ তলা ভবন। নাসিম স্কয়ার স্পেস ১৩ তলা ভবন। বাংলাদেশ আই হসপিটালের ১০ তলা ভবন। 

পরিদর্শনের সময় অথরাইজড অফিসার মো. ইলিয়াস ইত্তেফাক ডিজিটাল জানান, ভবন পরিদর্শনকালে যে সকল ইমারতসমূহে ত্রুটি-বিচ্যুতি রাজউক অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী গ্রাউন্ড ফ্লোরের এন্ট্রি/এক্সিট গেট অংশ সঠিক ব্যবহার করা। 

তিনি আরও জানান, ফায়ার সিঁড়ির বিভিন্ন তলায় প্রতিবন্ধকতা, ফায়ার ডোর, অগ্নি দুর্ঘটনায় দ্রুত ছাদে উঠা এবং নিচে নামার ব্যবস্থা ও ভবনের প্রতি ফ্লোর হতে ফায়ার সিরিতে যাওয়ার সিম্বোলিক চিহ্ন সংক্রান্ত তথ্যাদি পরিলক্ষিত হয়, তা সংশোধনের জন্য মালিক-গনকে পত্র মারফত অবহিত করা হয়েছে।

ইত্তেফাক/এনএ