ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, জনগণের শত শত, হাজার হাজার কোটি টাকা মেরে দিয়ে দিব্যি আরামে আছে অনেকে। বিদেশে লুটের টাকা পাচার করছে। অট্টালিকা-বাড়ি করছে। যারা হাজার কোটি টাকা মেরেছে, তাদের সঙ্গে নিয়ে চলছেন প্রধানমন্ত্রী। আর মাত্র দুই কোটি টাকার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জেলে থাকাটা অত্যন্ত লজ্জাজনক। ঐ দুই কোটি টাকার একটি টাকাও অপচয় হয়নি; বরং এই টাকা বেড়ে সাত কোটি হয়েছে। তার জন্য খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটক রাখাটা জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক বিষয়। এ ভয়ংকর পরিস্থিতি থেকে জাতিকে মুক্তি দিন। অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি (প্রধানমন্ত্রী) অত্যন্ত দূরদর্শী, দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা বুঝুন এবং খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার পদক্ষেপ নিন।
গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনজীবী আন্দোলন’ এর অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনশন কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, বিকল্পধারার একাংশের মহাসচিব শাহ আহমেদ বাদল, অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দীন আহমেদ, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল প্রমুখ।
অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘দেশে আইনের শাসন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আইনজীবীদের দায়িত্ব রয়েছে। তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, খালেদা জিয়ার নামে যে মিথ্যা মামলা দিয়েছে, তা প্রত্যাহার করে তাকে মুক্তি দিন। অন্যথায় দেশে একটা বড়ো গণবিস্ফোরণ ঘটবে। সেই বিস্ফোরণে সরকারের পতন হবে। আজকের অনশন সারা বাংলার মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। আমরা দাবি জানাই, খালেদা জিয়ার সব মামলা স্থগিত ও তার সুচিকিত্সার ব্যবস্থা করা হোক।
