রিহ্যাব থেকে ডোম-ইনোকে বহিষ্কারের দাবি প্রতারিত গ্রাহকদের

আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২৪, ১৯:২০

রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলোর সংগঠন রিয়েল এস্টেট এন্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) থেকে সদস্যপদ বাতিল ও স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে ডোম-ইনো রিয়েল এস্টেট কোম্পানি থেকে প্রতারণার শিকার গ্রাহকরা।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বীর উত্তম সি আর দত্ত রোডে রিহ্যাব ভবনের সামনে প্রতারিত গ্রাহকরা মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন শেষে রিহ্যাব নতুন কমিটির কাছে দেয়া স্মারকলিপিতে ওই দাবি জানায়।

শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচিতে ডোম-ইনো রিয়েল এস্টেট কোম্পানির প্রতারণা, ফ্ল্যাট হস্তান্তরে বিলম্ব এবং চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে প্রায় অর্ধশত জমির মালিক ও শতাধিক ফ্ল্যাট ক্রেতারা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন ভুক্তভোগী জমির মালিক হুমায়ুন হাসান, আদনান সোবহান, তোবারক হোসেন খান রিয়াদ, ফজলুর রহমান খান, মাইনুল আলম, তন্ময় মঞ্জুর মোরশেদসহ শতাধিক জমি ও ফ্ল্যাট মালিক।

তারা জানান, আমাদের জীবনের শেষ সম্বল জমিটুকু উন্নয়নের জন্যে ডোম-ইনো রিয়েল এস্টেট কোম্পানির সঙ্গে ভবন তৈরি ও ফ্ল্যাট কেনার চুক্তি করে এখন আমরা পথে বসে গেছি। আমরা এক ভয়াবহ সংকটে বিপর্যস্ত। তিন বছরে ভবন ও ফ্ল্যাট বানানোর কথা বলে ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে প্রকল্প বুঝিয়ে না দিয়ে আমাদের সঙ্গে কোম্পানিটি প্রতারণা করছে। এমনকি চুক্তিপত্র অনুযায়ী সাইনিং মানি প্রদানের শর্ত থাকলেও সে অর্থের বড় অংশ অনেক জমির মালিক এখনও বুঝে পাননি। ‌এ দীর্ঘ সময়েও বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর কাজের অগ্রগতি সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা ১০ শতাংশ। অথচ ডোম-ইনো এরই মধ্যে তাদের প্রাপ্য অংশের নির্মাণাধীন প্রায় সব ফ্ল্যাট বিক্রি করে ফেলেছে। কোনো কোনো প্লটে এক ফ্ল্যাট একাধিক ক্রেতার কাছেও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ কোনো খাতে ব্যবহৃত হচ্ছে, কিংবা অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়া হয়েছে কি-না, তা একেবারেই অস্পষ্ট।

মানববন্ধন শেষ রিহ্যাবের নতুন কমিটির কাছে স্মারকলিপির মাধ্যমে ডোম-ইনো নামধারী সকল প্রতিষ্ঠানের রিহ্যাব সদস্যপদ বাতিল ও রিহ্যাব থেকে ডোম-ইনোকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবি জানান তারা।

ইত্তেফাক/এমএএস