আইসিসির বার্ষিক সভা
স্পোর্টস রিপোর্টার
সরকারি হস্তক্ষেপ ও সুশাসনের অভাব থাকার অভিযোগে আইসিসির বার্ষিক সাধারণ সভায় নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট। লন্ডনে আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া এই আইসিসি সভায় এ ছাড়া বিশেষ আলোচনায় স্থান পাবে বিশ্ব জুড়ে টি-টোয়েন্টি লিগগুলোতে কেন্দ্রীয় চুক্তির বাইরে থাকা খেলোয়াড়দের ছাড়পত্র প্রসঙ্গ।
গতকালই প্রধান নির্বাহীদের সভার ভেতর দিয়ে শুরু হয়েছে আইসিসির সাধারণ সভার প্রথম অংশ। সেখানেই খুব গুরুত্ব পেয়েছে জিম্বাবুয়ের সদস্যপদ স্থগিত করার প্রসঙ্গ। সম্প্রতি জিম্বাবুয়ে সরকারের ক্রীড়া ও বিনোদন কমিশন জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডকে স্থগিত করে দিয়েছে। সেখানে তারা নিজেদের লোক দিয়ে আপাতত কাজ চালাচ্ছে।
আইসিসির সংবিধান অনুযায়ী সকল ক্রিকেট বোর্ডকে হতে হবে স্বায়ত্তশাসিত। কোনো ক্রিকেট বোর্ডে তাদের সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ আইনত চলতে পারে না। আইসিসির একজন সিনিয়র কর্মকর্তা পিটিআইকে বলেছেন, ‘তারা (জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট) সম্ভবত নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে তাদেরকে একটা শর্তের তালিকা ধরিয়ে দেওয়া হবে। যে শর্তগুলো পূরণ করতে না পারলে তাদের বহিষ্কার করা হবে। তবে এই সপ্তাহেই সম্ভবত বহিষ্কার হবে না। কারণ, ওদের ঘর গোছানোর একটা সুযোগ দেওয়া হবে।’
জিম্বাবুয়ে প্রসঙ্গ ছাড়া এই সভায় গুরুত্ব পাবে বিভিন্ন টি-টোয়েন্টি লিগে খেলোয়াড়দের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়ার প্রসঙ্গ। আইসিসি মনে করছে, যেসব খেলোয়াড় যার যার বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে নেই এবং যাদের আর জাতীয় দলের কাছাকাছি আসার সম্ভাবনা নেই, তাদেরকে বোর্ডগুলোর এমনিতেই এনওসি দিয়ে দেওয়া উচিত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘ওয়ার্কিং গ্রুপ এখনো এটা বিবেচনা করছে যে, কীভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা যায়। এটা এবারের বিতর্কের ব্যাপার হতে পারে।’ আইসিসি যদি এরকম কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সেটা ইরফান পাঠান বা যুবরাজ সিংয়ের মতো জাতীয় দল থেকে অনেক দূরে চলে যাওয়া ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। সে ক্ষেত্রে ভারতীয় বোর্ড না চাইলেও এরা বিদেশি লিগ খেলার অনুমতি পেয়ে যাবেন। আর এই ক্ষেত্রেই ভারতীয় বোর্ড এই আইনটার বিরোধিতা করবে।
