সিরাজগঞ্জে তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি

শীতের তীব্রতার সঙ্গে বাড়ছে পুরাতন গরম কাপড়ের দোকানে ভিড়

আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৩:৩৪

সিরাজগঞ্জে শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। গত কয়েকদিন ধরে ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকছে পুরো জেলা। সূর্যের দেখা মিলছে না বললেই চলে। এমন অবস্থায় শহরের ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় করছে।

তীব্র শীতে থমকে গেছে দিন মজুর এবং ক্ষেত-খামাররে কর্মব্যস্ত কৃষকদের কাজ। বিশেষ করে চরাঞ্চলের বাসিন্দারা শীতে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

সদর উপজেলার ধলেশ্বরের আব্দুর রাজ্জাক কান্টা বলেন, ঠাণ্ডা বাতাস ও তীব্র শীত উপেক্ষা করে বেগুন ও কাচা মরিচ খেতের পরিচর্যা করতে হচ্ছে। আমরা গরীব মানুষ, শীতের কাপড় কেনার সামর্থ্য নাই। তাই ঠাণ্ডার মধ্যেও কাজ করতে হচ্ছে।

এদিকে ঘন কুয়াশা পাল্টে দিয়েছে যান চলাচলের দৃশ্যপটও। সদর থানার কাটাঙ্গা চর এলাকার নৌকার মাঝি শাহিন বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে নদী দিক ঠিক রাখা যায় না। অনেক সময় দিক ভুল হয়ে নৌকা চরে গিয়ে আটকে যায়। এই ঘাট থেকে শহরের হার্টপয়েন্ট ঘাটে যেতে আগে সময় লাগতো ৪০ মিনিট। এখন সময় লাগে প্রায় ২ ঘণ্টা।

শীতের তীব্রতা বাড়ায় জেলার মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষেরা হকার্স মার্কেট, বড় বাজার, নিউ মার্কেট এলাকাসহ ফুটপাতের ওঠা পুরাতন কাপড়ের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বেড়ে চলেছে।

পুরাতন গরম কাপড় কিনতে আসা রিক্সা চালক হাসমত আলী জানান, তীব্র শীতে বাইরে বের হওয়া যাচ্ছে না। পেটের দায়ে রিকশা নিয়ে বের হয়েছেন তিনি। পুরাতন কাপড়ের দোকানে সস্তায় গরম কাপড় পাওয়া যায় জন্যই এখান এসেছেন

তাড়াশ কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জাহেদুল ইসলাম জানান, শনিবার সকাল ৬টায়  সিরাজগঞ্জে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও কমার আশঙ্কা রয়েছে। 

ইত্তেফাক/এএইচপি