পিরোজপুর অফিস ও ইন্দুরকানী সংবাদদাতা
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে মহিলা লীগ নেত্রীর দুই পা ভেঙে দেওয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারিসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
ইন্দুরকানী থানা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে নারী নেত্রী সেলিনা বেগমের ওপরে হামলার ঘটনায় রবিবার পিরোজপুর আদালতে মামলা হয়েছে। সেলিনার স্বামী জাহিদ হাওলাদার বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলার এজাহার থানায় পৌঁছেছে। এ মামলায় ইন্দুরকানী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মৃধা ও তার ছেলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এবং ইউপি সদস্য মাহামুদুর রহমান সোহেলকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে চরনি পত্তাশী গ্রামের ফজলুল ফকিরের ছেলে লোকমান ফকিরকে আটক করা হয়েছে। ইন্দুরকানী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এম মতিউর রহমান জানান, সেলিনা আওয়ামী পরিবারের সদস্য। তার ওপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। যারা এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদের দ্রুত আইনের আওতায় নেওয়া হোক। এছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামানকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য একটি মহল এই মামলায় আসামি করেছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মৃধা জানান, আমি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় অবস্থান করছি এবং আমার ছেলে বাড়িতে অসুস্থ। আমাদেরকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য মিথ্যা মামলার আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সেলিনার ওপর হামলার ঘটনা শুনে ওসি সাহেবকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি। ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান জানান, সেলিনার ওপর হামলার ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আমরা একজনকে আটক করেছি। অন্যদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।
শুক্রবার সকালে উপজেলার চরনি পত্তাশী গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষরা হামলা চালিয়ে মহিলা লীগ নেত্রী সেলিনা বেগমের দুই পা ভেঙে দেয়।
