ড. এম এম আকাশ
এক সপ্তাহ আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরো ও অর্থনীতি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ‘Inclusive growth for sustainable Development’ শিরোনামে দুই দিনব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। অতীতে ১৯৭৪ সালে ‘সমাজতান্ত্রিক কাঠামোর ভেতরে থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন’ বিষয়ে এ ধরনের একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার International Economic Association, বিআইডিএস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ যৌথভাবে সম্পন্ন করেছিল। তখন অবশ্য রাষ্ট্রের কর্তারা নিজেদের সর্বজ্ঞ ভাবতেন না। বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকাও তখন অতখানি চাটুকারিতামূলক ছিল না। তবে সুখের বিষয় এই যে, সেমিনারে রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকেরাও এসেছিলেন এবং কথাও বলেছেন। উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে এসেছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুল মান্নান সাহেব। তিনি নিজের বক্তৃতার পরই চলে যাননি, উপস্থিত থেকে মূল বক্তব্য শুনেছেন এবং পরবর্তী সময়ে পত্রিকায় এ সম্পর্কে তার কিছুটা ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয়েছে।
এবারের এই সেমিনারের প্রথম সংগঠিত অধিবেশনের বিষয় ছিল ‘দারিদ্র্য এবং বৈষম্য’। দুই দিনব্যাপী এই সেমিনারের মূল বক্তব্যটি (Keynote Speech) উপস্থাপন করেছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ, আলস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এস আর ওসমানী। এই প্রথম সংগঠিত সেশনে সভাপতিত্ব করেছেন বাংলাদেশের অন্যতম অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ। প্যানেলিস্ট আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্তন গভর্নর ড. আতিউর রহমান এবং আমি। এছাড়া উক্ত সেমিনারে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ৩০টি পেপার ১৫টি সেশনে উত্থাপিত ও আলোচিত হয়। তবে ওসমানীর পেপারটাই ছিল দুই দিনব্যাপী এই সেমিনারের প্রথম দিনের প্রথম সবচেয়ে আকর্ষণীয় পেপার। এটি শুনতে অধ্যাপক রেহমান সোবহান, ফরাসউদ্দীনসহ অনেক মান্যগণ্য লোকও সেদিন সেমিনারে এসে উপস্থিত হয়েছিলেন।
অধ্যাপক ওসমানীর বক্তব্যটি ছিল যথেষ্ট ভারসাম্যপূর্ণ। আজকাল সর্বত্র বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে যেভাবে উচ্ছ্বসিত আওয়াজ তোলা হয়, ড. ওসমানী ততটা উচ্ছ্বসিত ছিলেন না। ধীরলয়ে কিন্তু দৃঢ়তার সঙ্গে তিনি তাঁর বক্তব্য বলে গেছেন। যদিও সময়সীমার কারণে পুরো প্রবন্ধের বক্তব্য উত্থাপন সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিস্ময়কর অর্জনগুলো স্বীকার করে নিয়েই তিনি মনোযোগ দিয়েছিলেন দুটি সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সীমাবদ্ধতার দিকে। প্রথমটি হচ্ছে ২০১০ থেকে ২০১৬—এই ছয় বছরে দারিদ্র্যের হার ৩১.৫ শতাংশ থেকে নেমে হয়েছে ২৪.২ শতাংশ। অর্থাত্, প্রতিবছর ১.২ শতাংশ পয়েন্ট হারে দারিদ্র্যের হার কমেছে। কিন্তু ২০০০ থেকে ২০১০ বিগত ১০ বছরে দারিদ্র্যের হার কমেছিল ৪৮.৯ শতাংশ থেকে ৩১.৫ শতাংশ। অর্থাত্, প্রতিবছর গড়ে ১.৭ শতাংশ পয়েন্ট হারে। তাই অধ্যাপক ওসমানী প্রশ্ন তুলেছিলেন, দারিদ্র্যের হার এই শেষ ছয় বছরে কমলেও তা কমেছে অধিকতর শ্লথগতিতে। কিন্তু কেন এই শ্লথতা? চরম দারিদ্র্যের হারের ক্ষেত্রেও অনুরূপ ঘটনা আরও তীব্র হারে ঘটেছে। সেখানে শেষ ছয় বছর দারিদ্র্যের হার কমেছে মাত্র ০.৮ শতাংশ পয়েন্ট হারে, অথচ ২০০০ থেকে ২০১০ কালপর্বে অর্থাত্, আগের দশকে চরম দারিদ্র্য হার কমেছিল দ্বিগুণ দ্রুততর হারে, তথা ১.৬৭ শতাংশ পয়েন্ট হারে।
সুতরাং সম্প্রতি চরম দারিদ্র্যের হারও শ্লথ হারে কমছে। ওসমানীর এই আবিষ্কারের (Finding) ভিত্তি হচ্ছে ২০১৬ সালের খানা আয়-ব্যয় জরিপলব্ধ তথ্যাবলি, যা এখনো জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। তবে পরিকল্পনা কমিশনের একটি কাজ করতে গিয়ে ওসমানী এই তথ্যাবলি হাতে পেয়েছিলেন। এ-সংক্রান্ত তাঁর কাজটি প্রথম প্রকাশিত হয় বিডিএস জার্নালে। এখন তা ‘পাবলিক ডোমেনেও’ (Public Domain) প্রকাশিত হলো।
দ্বিতীয় যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি এস আর ওসমানী তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন, তা হচ্ছে বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান আয়-বৈষম্য। ২০১৬ সালের সর্বশেষ তথ্য থেকেও দেখা যাচ্ছে যে ২০১০ থেকে ২০১৬—এই সাম্প্রতিক শেষ ছয় বছরে বাংলাদেশের আয়-বৈষম্যেও গিনি সূচকটি অধিক দ্রুত হারে বেড়েছে। ২০০০ থেকে ২০১০—এই দশকে আয়-বৈষম্যের গিনি সূচক ০.৪৫ থেকে সামান্য বেড়ে হয়েছিল ০.৪৬। কিন্তু ২০১০ থেকে ২০১৬—মাত্র এই ছয় বছরে বাংলাদেশে আয়-বৈষম্যের গিনি সূচক ০.৪৬ থেকে বেড়ে হয়েছে ০.৪৮। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, সম্প্রতি বাংলাদেশে দারিদ্র্য হ্রাসের হার যেমন শ্লথ হচ্ছে, তেমনি জাতীয় পর্যায়ে আয়-বৈষম্য বৃদ্ধির হার দ্রুততর হচ্ছে। ওসমানীর প্রদত্ত তথ্য থেকে আমরা এটাও পেয়েছি যে ২০১৬ সালে গ্রামাঞ্চলে আয়-বৈষম্যের গিনি সূচক ছিল ০.৪৫ আর শহরাঞ্চলে সেই সূচক ছিল ০.৫০। ২০১৯-এ এই উভয় সূচকই আরো বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অধিকাংশ অর্থনীতিবিদের ধারণা।
এটা সুবিদিত যে যেসব দেশে আয়-বৈষম্যের গিনি সূচক ০.৫০ পর্যায়ের মাত্রায় পৌঁছে যায়, সেসব দেশকে বর্তমানে অর্থনীতিবিদেরা ‘মধ্যম আয়ের ফাঁদে আটকে পড়া’ (Middle Income Trap) এবং বিপজ্জনক আয়-বৈষম্যের দেশ হিসেবে চিহ্নিত করে থাকেন। প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশ যেভাবে সম্প্রতি উন্নত হচ্ছে, তাতে কি বাংলাদেশ সে রকম একটি ফাঁদেই পা দিতে যাচ্ছে? কেউ বলতে পারেন, এ রকম ক্রমবর্ধমান আয়-বৈষম্য নিয়ে বাংলাদেশ আদৌ কোনো টেকসই উন্নয়ন সাধনে সক্ষম হবে না।
সুতরাং আমরা দেখতে পাচ্ছি, অধ্যাপক ওসমানী উন্নয়নের হইহই-রইরই ডামাডোলের মধ্যে থেকেও দুটি গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতার কথা এই সেমিনারে পেশ করলেন। অবশ্য পরিকল্পনা কমিশনের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ব্যাক গ্রাউন্ড পেপারে ওসমানি কর্তৃক সরকারের কাছে এসব তথ্য আগেই পরিবেশিত হয়েছিল।
এই পেপারে দেখানো হয়েছে, ২০১০ সালের পর অদক্ষ শ্রমিকের প্রকৃত মজুরিও হ্রাস পেয়েছে! ওসমানীর প্রবন্ধে ১ নম্বর চিত্রে যে গ্রাফ দেওয়া আছে, তা থেকে আমরা দেখতে পাই যে ১৯৯৯-২০০০ সালে অদক্ষ শ্রমিকের প্রকৃত মজুরির সূচক ছিল ৮৫, ২০১০ সাল পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে যে তা কম-বেশি বেড়ে হয়েছিল প্রায় ১০০, কিন্তু সেই সূচক আবার নেমে ২০১৫-১৬ সালে হয়েছে ৯৫, অর্থাত্ ঐ ছয় বছরে সমাজে অদক্ষ মজুরদের প্রকৃত মজুরি ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অধ্যাপক ওসমানী তাঁর পেপারে লিখেছেন— ‘অদক্ষ শ্রমিকের প্রকৃত মজুরির এই প্রবণতা দরিদ্র মানুষের জীবনমানের চরম ও আপেক্ষিক অবনতির একটি নির্ভরযোগ্য নিদর্শন। কারণ দরিদ্র মানুষের জীবিকা প্রধানত অর্জিত হয় শ্রমশক্তি বিক্রির মাধ্যমে।’
তাহলে দেখা যাচ্ছে, সমাজে যারা ধন-সম্পদের মালিক নয় এবং লেখাপড়াও তেমন একটা করেনি, সেইসব অদক্ষ শ্রমিকের জীবন যাপন ক্রমশ আরও নিচে নেমে যাচ্ছে। অন্তত ২০১০ থেকে ২০১৬—এই কালপর্বে ঘটনাটা এরকমই ঘটেছে।
ওসমানীর পেপারে প্রদত্ত আয়-বৈষম্যের বিষয়টি আরও বিস্তৃত বিশ্লেষণের অপেক্ষা রাখে। ওসমানী দেখাচ্ছেন, নিম্ন আয়ের ৪০ শতাংশ মানুষের কাছে ১৯৮৫-৮৬ সালে সারাদেশের মোট আয়ের মাত্র ১৮ শতাংশ পৌঁছাত। কিন্তু ২০১৬ সালে এসে পৌঁছেছে আরো কম—মাত্র ১৩ শতাংশ। পক্ষান্তরে ১৯৮৫-৮৬ সালে ওপরের দিকে ১০ শতাংশ ধনী মানুষের কাছে সারাদেশের মোট আয়ের প্রায় ৩১ শতাংশ পৌঁছাত। আর ২০১৬ সালে এসে পৌঁছেছে প্রায় ৩৮ শতাংশ। আর মধ্যবিত্ত ৫০ শতাংশের কাছে ১৯৮৫-৮৬ সালে পৌঁছাত ৫০ শতাংশ, আর ২০১৬ সালেও পৌঁছেছে প্রায় ৪৯ শতাংশ আয়। এ থেকে বোঝা যায়, ১৯৮৫ থেকে ২০১৬—এই ৩১ বছরে মধ্যবিত্ত তার আপেক্ষিক অবস্থান মোটামোটি এক জায়গায়ই ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে, পক্ষান্তরে গরিবরা তাদের হিস্যা বেশ কিছুটা হারিয়েছে। পক্ষান্তরে ধনীরা গরিবের হারানো হিস্যাটুকু নিজেদের পাতে টেনে এনে আরও অধিকতর ধনী হয়েছে। এক কথায় আমরা বলতে পারি, বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতার আরেকটি সীমাবদ্ধতা হলো, দীর্ঘ মেয়াদে আয়-বৈষম্য ক্রমাগত বাড়ছেই। এর বৃদ্ধি ঠেকানো যাচ্ছে না, আর দারিদ্র্যের হার আগে যেমন দ্রুত এবং সহজে কমানো সম্ভব হয়েছিল, এখন তা তত সহজসাধ্য হচ্ছে না। এর একটি সম্ভাব্য সহজ ব্যাখ্যা হচ্ছে, অর্থনীতিবিদদের ভাষায় ‘নিচে ঝুলন্ত ফল’ (‘Lower Hanging Fruits’)-এর প্রভূত সুযোগ এখন আর নেই। আগে যেমন আমরা সহজে নিচের ডালের ফল পেরে খেতে পারতাম। এখন আর দারিদ্র্য হ্রাস তত সহজ নয়। এখন যারা দরিদ্র, তাদের দারিদ্র্য কমানোর জন্য আরো কঠিন ও জোরালো উদ্যোগের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
অধ্যাপক ওসমানী তাঁর প্রবন্ধে আর একটি বিষয়ের ওপর দৃষ্টি আর্কষণ করেছেন। সেটি হচ্ছে, শ্রমিকদের উত্পাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং তাদের প্রকৃত মজুরি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিদ্যমান অব্যাহত অসামঞ্জস্যতা। ওসমানীর প্রবন্ধের ৫ নম্বর তালিকায় প্রদত্ত তথ্য থেকে আমরা দেখতে পাই, ১৯৮৪-৮৫ থেকে ১৯৯৫-৯৬—এই কালপর্বে শ্রমের উত্পাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রতিবছর ২.৮৮ শতাংশ হারে। অথচ প্রকৃত মজুরি বৃদ্ধি পেয়েছে প্রতিবছর মাত্র ১.২৬ শতাংশ হারে। অনুরূপভাবে আবার ২০০৫-০৬ থেকে ২০১৫-১৬—সাম্প্রতিক এই কালপর্বে শ্রমের উত্পাদনশীলতা প্রতিবছর ৩.৫৯ শতাংশ হারে, অর্থাত্ আরো বেশি হারে বৃদ্ধি পেলেও তাদের প্রকৃত মজুরি তখন বৃদ্ধি পেয়েছে মাত্র ০.০৩ শতাংশ হারে। অর্থাত্ আরো অনেক কম হারে। এসব তথ্য থেকে এটা স্পষ্ট প্রতীয়মান যে শ্রমজীবী জনগণ অর্থনৈতিক উন্নয়নে এই সময়ে যে উচ্চহারে অবদান রেখেছেন, সেই অনুপাতে তাদের প্রাপ্তি একদমই বাড়েনি। যারা দুধের সর তৈরি করেছেন, তারা সেই সর পাননি বা খেতে পারেননি। এটা থেকে ক্রমবর্ধমান আয়-বৈষম্যের একটি কার্যকারণের ব্যাখ্যাও পাওয়া যাচ্ছে বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করেন।
ওসমানী প্রবন্ধে আরো বলেন, এ সময়ে গ্রাম থেকে শহরে কাজের সন্ধানে যে লোকেরা ভিড় করেছিল, তারা আনুষ্ঠানিক খাতে বা উচ্চ মজুরি বা বেতন খাতে কোনো উন্নত কর্ম সুযোগ পায়নি। প্রধানত নির্মাণ খাতে অদক্ষ দিনমজুর হিসেবে কাজ করেছে, ফলে অদক্ষ শ্রমিকের সরবরাহ বা ভিড় বেড়ে যাওয়ায় সেখানেও এই সময়ে প্রকৃত মজুরি হ্রাস পায়। ধান কাটার মৌসুমে অল্প কিছুদিনের জন্য গ্রামে মজুরি বাড়লেও শহরে কিন্তু সেই সুযোগ দিনমজুররা পান না।
সামগ্রিক বিচারে বলব, ওসমানীর ‘কি নোট স্পিচটিই’ ছিল দুই দিনব্যাপী এই আলোচ্য আন্তর্জাতিক সেমিনারের সবচেয়ে ‘কৌতূহলোদ্দীপক’ পেপার। এই লেখা আর বড়ো করার অবকাশ নেই। এই আন্তর্জাতিক সেমিনারে এসডিজির (Sustainable Development Goals) বা টেকসই উন্নয়নের কথা বারংবার বলা হয়েছে। এসডিজি এমডিজির (Millenium Develoment Goal) তুলনায় উচ্চতর লক্ষ্য সংবলিত একটি পরিকল্পনা। ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত এই পরিকল্পনা অনুসারে স্বদেশের সবাইকে আগামীতে প্রবৃদ্ধির প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট করার জন্য এবং উন্নয়নের ফলাফল নিম্ন আয়ের লোকদের কাছে উচ্চতর হারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই ২০৩০ সালের মধ্যে যদি আমরা প্রকৃত টেকসই উন্নয়ন করতে চাই, তাহলে শুধু জিডিপি বাড়ালেই চলবে না, শুধু দারিদ্র্যের হার কমালেই চলবে না, আমাদের আয়-বৈষম্য কমাতে হবে এবং আয় বণ্টনের ক্ষেত্রে সমাজের শ্রমজীবীদের জন্য ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
n লেখক :অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
