বাসশ্রমিক-সিএনজিচালকদের দ্বন্দ্ব, সমঝোতায় বসে ফের মারামারি

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০২:০৬

বাসশ্রমিক ও সিএনজিচালকদের চলমান দ্বন্দ্ব নিরসনে সমঝোতায় বসে উভয়পক্ষ আবারও মারামারিতে লিপ্ত হয়েছেন। এতে দুই পক্ষই দুই জন করে আহত হওয়ার দাবি করেছে। 

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় রাজশাহী শহরের ষষ্ঠীতলায় মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মামুনুর রশিদের ব্যক্তিগত কার্যালয়ের সামনে এই মারামারির ঘটনা ঘটে। 

দুই পক্ষের চলমান দ্বন্দ্ব সমঝোতার জন্য পুলিশ বিএনপি নেতা মামুনকেই দায়িত্ব দিয়েছিল। তবে আবারও মারামারির কারণে মীমাংসা হয়নি।

জানতে চাইলে বিএনপি নেতা মামুনুর রশিদ বলেন, 'পুলিশের বোয়ালিয়া জোনের ডিসি আমাকে দুই পক্ষকে নিয়ে সমঝোতা করে দিতে বলেছিলেন। সে অনুযায়ী আমি বসেছিলাম। বাস শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ এসেছিলেন। সিএনজিচালকদের একটি গ্রুপের নেতৃবৃন্দ এসেছিলেন। কিন্তু আরেকটি গ্রুপের নেতৃবৃন্দ আসেননি। তাই সমঝোতা হবে না বলে দিয়েছি।'

তিনি আরও বলেন, 'হঠাৎ হারু গ্রুপের (সিএনজি মালিকদের একটি গ্রুপ) নেতৃবৃন্দ আসেন এবং আমার সামনেই মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের দুই-তিন জনকে মারধর করেন। তখন দুই পক্ষ মারামারিতে লিপ্ত হয়।

রাজশাহী জেলা মোটর (বাস) শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিক আলী পাখি বলেন, 'ওরাই সব সময় মারামারি করে, আর দোষ হয় আমাদের। আজ ওরা আমাদের ওপর হামলা করেছে। এতে দুই জন আহত হয়েছেন। এখন রাতে আবার পুলিশ-প্রশাসন উভয়পক্ষকে নিয়ে বসার কথা বলেছে।'

রাজশাহী সিএনজি মালিক সমিতির সহসাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'সমঝোতায় বসে বাসের শ্রমিকেরা আমাদের কথা বলতে দিচ্ছিলেন না। এরপর তারা আমাদের মারধর করেছেন। এতে দুই জন আহত হয়েছেন। একজন সিএনজিচালককে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।' 

তিনি বলেন, 'আমরা আর কোনো রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে সমঝোতায় বসতে রাজি না। পুলিশ-প্রশাসন থাকবে, আমরা দুই পক্ষ থাকব। এভাবে সমঝোতা করতে হবে। সন্ধ্যার পর ট্রাফিকের ডিসির অফিসে আবার বসার কথা আছে।'

ইত্তেফাক/এনএন