বাংলাদেশে ১১তম সংসদ নির্বাচন হতে চলেছে এ বছরের শেষে। নির্বাচন নিয়ে বিরোধী দলগুলো অনেক শঙ্কা ছড়িয়ে নির্বাচনে অংশ অংশ না নেওয়ার হুমকি এবং আন্দোলনে যাবার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নামার চেষ্টা করেও তেমন কোনো ফল পায়নি। ২০১৪ সালের নির্বাচন ঠেকাতে গিয়ে আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসকে উপায় হিসেবে ব্যবহার করে দেশে-বিদেশে সন্ত্রাসী দলের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে রাজনৈতিকভাবে সুনামের চেয়ে দুর্নাম কুড়িয়েছে বেশি। ফলে বিদেশি মিত্ররাও দূরে ঠেলে দিয়েছে তাদের। সরকারের উপর আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি করতে গিয়ে নিজেরাই এখন চাপের মুখে পড়ে হিমশিম খাচ্ছে। স্বচ্ছ অবয়ব প্রতিষ্ঠা করতে নির্বাচনের পথে হাঁটার শুরুতে স্বকীয়তা বিকিয়ে দিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ছায়াতলে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করে নতুন কৌশল নিয়ে গণতন্ত্র উদ্ধারের ধুয়া তুলে ভোটের বস্তা ভরার আশা নিয়ে তারা মাঠে থাকলেও ঐক্যফ্রন্টের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ড. কামালের হাতে ছেড়ে দেয়নি।
ড. কামালের ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরির ধারণা শুরুতে সুশীলদের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করলেও প্রান্তিক অঞ্চলে এর তেমন কোনো প্রভাব পরিলক্ষিত হয়নি। সুশীলদের প্রত্যাশা মারাত্মক হোঁচট খেয়েছে নির্বাচনে ফ্রন্টের প্রার্থিতা ভাগাভাগির প্যাটার্ন থেকে। ঐক্যফ্রন্টের গণতন্ত্রের নতুন ধারণা শুরুতেই লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পড়লে ড. কামাল উত্সাহ হারিয়ে নিজেই নির্বাচন থেকে বিরত হয়ে ভোটের লড়াই থেকে সরে পড়েন। মনোনয়ন চূড়ান্তকরণে তারেক জিয়ার অনৈতিক আধিপত্য এবং বিএনপির দ্বিমাত্রিক নির্বাচনী কৌশল অর্থাত্ ২০ দলীয় জোট বহাল রেখে ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামা মনোনয়ন সংকট তৈরির পাশাপাশি ঐক্যফ্রন্টের পথচলাকে খাদে ফেলে দেয়। ঐক্যফ্রন্টে ছুটে আসা নেতাসর্বস্ব ছোট ছোট দলগুলোর শীর্ষ নেতারা সহজ মনোনয়ন এবং জোটের ভোট ব্যবহার করে নির্বাচনের বৈতরণী পার হবার সহজ কৌশলে আকৃষ্ট হয়েছিল। অনেক রাজনৈতিক নেতা যাদেরকে অচল বলে অনেকে অভিহিত করে থাকেন তাদের পক্ষ ত্যাগের ট্রানজিট দিয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। স্বাধীনতাবিরোধীদের আস্তানায় স্বাধীনতার পক্ষের নামে পরিচিত অনেক রাজনীতিবিদ এই ট্রানজিট সুবিধা নিয়েছেন ইতিমধ্যে।
ডুবন্ত জামায়াতকে বাঁচানোর জন্য বিএনপি’র ২০ দলীয় জোট রক্ষা করে এগোনোর কৌশল ঐক্যফ্রন্টের সব নতুন ধারণাকে ডুবিয়ে দিয়েছে। দেশি-বিদেশি বন্ধুদের অনেকেই জামায়াত রক্ষা কৌশলকে স্বাগত জানাতে পারেনি। ফলে নির্বাচনী হাওয়া ঘন ঘন পরিবর্তিত হয়ে ঘূর্ণিতে পরিণত হয়ে কিছুটা দিকহারা হয়ে পড়েছে। অনেক ডাকসাইটে বিএনপি নেতা নিজস্ব ধ্যান-ধারণার বশবর্তী হয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ফলে দলের নির্বাচনী প্রবাহ যেমন বাধাগ্রস্ত হয়েছে, তেমনি দলটির নেতা-কর্মীদের মধ্যেও তা বিভ্রান্তির জন্ম দিয়েছে। এইসব নেতার নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা না দেয়াটা কিসের ইঙ্গিত তা স্বচ্ছ না হলেও নতুন ইঙ্গিত বহন করছে নিঃসন্দেহে। মার্কিন কংগ্রেসে উত্থাপিত জামায়াতবিরোধী প্রস্তাব বেশ কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। অপরদিকে ঐক্যফ্রন্ট বিএনপির নতুন মুখোশ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
পর্দার পেছনে অনেক শক্তি ক্রিয়াশীল থাকলেও নির্বাচন প্রক্রিয়া এগিয়ে চলেছে অনেক সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে। বিএনপি’র নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত আগামী নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করে গ্রহণযোগ্যতার প্রথম ধাপ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিঃসন্দেহে বৃহস্পতির শুভ প্রভাব ফেলেছে। বিএনপির নির্বাচন বর্জনের পথ রুদ্ধ করেছে। ৩০০ আসনে তিন হাজারের বেশি প্রার্থিতা এবারের নির্বাচনকে দিয়েছে নতুন রঙ। নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার রাস্তাগুলো অনেক সংকুচিত হয়ে গেছে ক্রমশ। মনোনয়ন বাছাইয়ে বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্টের অনেক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হলে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে লাগা নতুন ধাক্কা সামলে উঠতে পারবে নির্বাচন কমিশন। কারণ তারা আইনকে মুখ্য ধরে এগিয়েছে এবং আপিলে টিকে থাকবে বলে মনে হয়। নির্বাচনের পথ ত্যাগ করার আশঙ্কা অনেক কমে গেছে। আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে রাজনৈতিক ছাড়ের দাবি খুব বেশি হালে পানি পাবে বলে মনে হয় না। দণ্ডিত আসামি ও ঋণ খেলাপিদের মনোনয়ন দেওয়ার ফলে ৭৮৬ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেছে।
সরকারি দলের সংবিধান অনুসরণের কৌশল অনেক সফলতা দেখতে চলেছে। সরকারি দলের নির্বাচনী সংলাপ নতুন আস্থার ধারা তৈরি করেছে। বিরোধী পক্ষের নতুন ইস্যু খুঁজে তাকে পুঁজি করে নির্বাচন থেকে সরে যাবার পথ খোলা থাকলেও রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য বিকল্প হারিয়ে গেছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতাকে চ্যালেঞ্জ করে গণতন্ত্রের ধুয়া দিয়ে ভোটের মাঠে টেকা যাবে তা নিয়ে সংশয় মুক্ত হতে পারছে না সরকারবিরোধী পক্ষ। তবুও ভোটের মাঠেই জয়-পরাজয় নির্ধারিত করার কোনো বিকল্প কৌশল এখনও দৃশ্যমান নয়। ভোট যতই এগিয়ে আসছে সরকারি দলের নির্বাচনী কৌশল এগিয়ে যাচ্ছে সফলতার দিকে। বিরোধী পক্ষ নিজেদের সুসংহত করতে পারছে না। ফলে নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে পিছিয়ে পড়ছে, নেতা ও নেতৃত্বের গুণগত মানের অভাবে। শেখ হাসিনার প্রজ্ঞা ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ও গুণগতমান বিরোধীদের নির্বাচনী দৌড়ে পেছনে ফেলে দিয়েছে ইতোমধ্যে। ঐক্যফ্রন্টের বিদেশ কানেকশন খেই হারিয়ে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভূমিকা পারস্পরিক ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার কারণে শাসক বদলের চাহিদা কমে গেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও শাসনের মান প্রত্যাশা থেকে পেছনে পড়ে নেই বলে সবাই নিরপেক্ষ অবস্থান ধরে রেখে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনকে এগিয়ে নিতে কৌশলী ভূমিকায় থাকায় ঐক্যফ্রন্টের নেতার সক্ষমতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বিএনপি সভাপতিকে কারাবন্দি রেখে ও তারেক জিয়াকে বিদেশে রেখে নির্বাচনে যাওয়া বিএনপির অনেক নেতা মেনে নিতে পারছেন না। ফলে নির্বাচনে দলটির বিজয় অর্জনের আশা কমে যাচ্ছে তৃণমূলে। তৃণমূলকে উজ্জীবিত করতে তারেক জিয়া সাত দফার নতুন বার্তা ছেড়েছেন ইতোমধ্যে।
বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতাসীন সরকারগুলোর মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করলে শেখ হাসিনার সরকারের সার্থকতা দেশে-বিদেশে সংশয়হীনভাবে প্রতিষ্ঠা পেয়ে দারুণ প্রশংসা কুড়িয়েছে। এই উন্নয়নের প্রবাহ এবং শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ভোটের মাঠে বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করবে। সেইসাথে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় শক্তি জোগাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আদর্শ। ভাত আর ভোটের লড়াইয়ে উন্নয়ন ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ব্যাপক জনসমর্থনকে আকৃষ্ট করবে। গণতান্ত্রিক পরিবেশে ঘাটতি থাকলেও সার্বিকভাবে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় গ্রহণযোগ্যভাবে বিদ্যমান। গত সংসদ নির্বাচনকালীন এবং পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়েছিল বাংলাদেশের নিরীহ সাধারণ মানুষ। অর্ধশত মানুষের মৃত্যু ও শত শত আহত লোকের আহাজারি এখনও আকাশে-বাতাসে ঘুরে ফিরছে। সাধারণ মানুষ শান্তিকামী। সহিংসতার বিপক্ষে এবং শান্তি ও রাজনৈতিক ও সামজিক স্থিতিশীলতার পক্ষে। সত্যি বলতে বাংলাদেশ শুধু নয়, সারাবিশ্ব অশান্তির বিরুদ্ধে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষায় রাজনীতির ভূমিকাও ভোটের ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াবে। তবুও হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতা আগামী নির্বাচনকে নতুনভাবে চিত্রিত করবে।
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশের ভূমিকা আমাদের জাতীয় স্বার্থকে সমুন্নত রেখে যেভাবে অন্যকে আঘাত না করে নতুন সমীকরণ সৃষ্টি করেছে তা বাংলাদেশকে অনন্য রূপ দিয়েছে। আঞ্চলিকভাবে শান্তিপূর্ণভাবে স্থলসীমানা ও সমুদ্রসীমা নির্ধারণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের বিশাল অর্জন। বৈরিতা এড়িয়ে পারস্পরিক স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে অনুসৃত নীতি আস্থা ও বিশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টিতে বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকাকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণু নীতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতার শীর্ষে নিয়ে গেছে। ফলে আন্তর্জাতিক শক্তি অনেক বিকল্পের বিশ্লেষণ শেষে সহজ ও স্বচ্ছ সমাধানে মনোযোগী হয়েছে। পরীক্ষিত শাসকের পক্ষে অবস্থান ক্রমেই সুসংহত করার প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে।
বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে নির্বাচনী আমেজ এবং উত্সাহ-উদ্দীপনার কোনো কমতি দেখা যাচ্ছে না। আসন ভাগাভাগি ও মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে দলগুলো বিলম্ব করায় মনোনীত প্রার্থীদের এলাকায় উপস্থিতি হয়েছে দেরিতে। তারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন অনেক তড়িঘড়ি করে। ভুল-ভ্রান্তি বেশি হওয়াটা স্বাভাবিক। ফলে এলাকার অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব প্রকাশিত হয়েছে ধারণার চেয়ে অনেক কম। সরকারি দল নিজস্ব কৌশল গুণে মনোনয়ন জটিলতা অনেক দ্রুত এবং সবার আগে দূর করতে পেরেছে। তাই এলাকায় তাদের উপস্থিতি নির্বাচনী উদ্দীপনায় নতুনত্ব যোগ করেছে। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে যদিও কয়েকটি ব্যতিক্রম লক্ষণীয় ছিল। বিএনপি’র কিছু নেতা মনোনয়ন পেয়েও শেষে অজানা কারণে মনোনয়ন জমা দেননি। ফলে নতুন শঙ্কা ছড়িয়েছে দলের নির্বাচনী অবস্থানের ভবিষ্যত্ নিয়ে।
শুরু থেকেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে বিএনপিতে দ্বিমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যায়। ২০১৪ সালের নির্বাচন প্রতিহত করার সিদ্ধান্ত একটি বড় কৌশলগত ভুল ছিল। ফলশ্রুতিতে দল এখনও তার মাশুল গুণছে। তাই এবার নির্বাচন বর্জন নয়। ঐক্যফ্রন্টের মোড়ক নতুন ভাবমূর্তি তৈরিতে সহায়ক হলেও নির্বাচন বর্জনের ক্ষেত্রকে সংকুচিত করেছে। ঐক্যফ্রন্ট নতুন পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছে ফলে নির্বাচন বর্জন করলেও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের স্বীকৃতি পেতে কষ্ট হবে না নির্বাচন কমিশনের। দোদুল্যমানতা থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিএনপিতে ধীরগতি যথেষ্ট স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। বড় জাহাজের গতিপথ দ্রুত ও ঘন ঘন পরিবর্তন দুষ্কর। রাজনৈতিক দূরদর্শিতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে শেখ হাসিনার পরিপক্বতা অতুলনীয়।
বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন আগামী ৫ বছরের জন্য শাসক নির্বাচন করবে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি-সংবলিত দলীয় ইশতেহার দেখার জন্য জনগণ অপেক্ষায় আছে। কোন সরকার বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে কোন পথে তা নির্ভর করবে জনগণের ভোটের উপর। বিরোধী পক্ষের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অনুপস্থিতির অভিযোগ সত্ত্বেও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতি আস্থা বাড়ছে। সহিংসতার ব্যবহার করার আশঙ্কা কিছুটা থাকলেও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কারণে মাত্রা পূর্ববর্তী নির্বাচনের তুলনায় অনেক কম।
উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের গতিধারাকে বেগবান করতে আমাদের তুলনামূলকভাবে বিগতকালে ক্ষমতায় থাকা সরকারগুলোর দক্ষতা, সক্ষমতা, স্বচ্ছতা, পরিপক্বতা ও সুশাসনের চর্চিত মানের দিকে নজর দিলে ভোটের সিদ্ধান্ত নেয়াটা সহজ হবে। সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যাশাকে ধরে রাখতে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা এবং সমাজে সম্প্রীতির বিকাশ ঘটিয়ে শান্তিকে বিকশিত করে সমৃদ্ধির পথকে সুগম করতে না পারলে নির্বাচন মূল্যহীন হয়ে পড়বে।
n লেখক: স্ট্র্যাটেজি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক। ইন্সটিটিউট অফ কনফ্লিক্ট, ল’ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (আইসিএলডিএস) এর নির্বাহী পরিচালক
