দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনা সালিশে মীমাংসার বিষয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন কি পদক্ষেপ নিয়েছে তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপ সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার, ফুলবাড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ওসিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। এ ঘটনায় পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনার পর বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল রবিবার এই আদেশ দেন।
গত ১২ জুলাই ‘শিশু ধর্ষণে জরিমানা ১৪ হাজার টাকা’ শীর্ষক প্রতিবেদন একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম। তিনি বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। কিন্তু আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি তা অর্থের বিনিময়ে সালিশ মীমাংসা করেছেন। এটাও গুরুতর অপরাধ। এ পর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর উদ্দেশে আদালত বলেন, সালিশকারীরা কে কত টাকা নিয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে নারী শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে কি-না সেটা জানান। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার বলেন, এখানে ইউপি সদস্য নৈতিক স্খলনের দায়ে দোষী হবেন। তিনি এটা করতে পারেন না। প্রশাসন এ বিষয়ে কঠোর। এরপরই হাইকোর্ট উপরোক্ত আদেশ দেয়।
