কাজাখস্তানে বিধ্বস্ত হওয়ার আগে যাত্রীবাহী ‘এমব্রেয়ার ১৯০’ উড়োজাহাজটি রুট পরিবর্তন করেছিল। ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা কমে আসায় উড়োজাহাজটি রুট পরিবর্তন করে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রুশ সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এই খবর জানিয়েছে।
আজারবাইজান এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, কাস্পিয়ান সাগরের পূর্ব তীরে তেল ও গ্যাসের কেন্দ্র আকতাউ শহর থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে ‘এমব্রেয়ার ১৯০ জরুরি অবতরণ করেছিল। এ সময় এটি বিধ্বস্ত হয়।
দেশটির জরুরি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হতাহতদের সম্পর্কে এখনই স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না। উড়োজাহাজটি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
রাশিয়ার নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের ওই প্লেনটি বাকু থেকে যাত্রা করেছিল। এটি রাশিয়ার চেচনিয়ার গ্রোজনিতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঘন কুয়াশার কারণে প্লেনটি আবার বাকুর দিকেই ফিরে আসছিল।
কাজাখস্তানের পরিবহনমন্ত্রী বুধবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী একটি প্লেন রাজধানী বাকু থেকে রাশিয়ার গ্রোজনির উদ্দেশে যাত্রা করার পর বুধবার পশ্চিম কাজাখস্তানে বিধ্বস্ত হয়েছে। ওই প্লেনে ৬২ জন যাত্রী এবং আরও পাঁচজন ক্রু সদস্য ছিল। দেশটির জরুরি পরিস্থিতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেছে।
এক টেলিগ্রাম পোস্টে জানানো হয়েছে, আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের একটি প্লেন বাকু থেকে গ্রোজনিতে যাওয়ার সময় আকতাউ শহরের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে।

