আসামে ১১ জনের মৃত্যু ২৬ লাখ গৃহহীন

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯০

আপডেট : ১৫ জুলাই ২০১৯, ২১:৫০

লাগাতার বৃষ্টিতে নেপালে বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৯০ জন। নেপালে কাঠমান্ডু উপত্যকা এবং তরাই অঞ্চল বেশি প্লাবিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে এই অঞ্চলে একটানা বৃষ্টি হচ্ছে। টানা বৃষ্টিপাত হতে পারে আরো কয়েকদিন। বন্যায় বাস্তুচ্যুত হয়েছে লাখ লাখ মানুষ। উদ্ধারের কাজে নামানো হয়েছে বহু প্লাটুন সেনা, ও আধা সেনা। এই বন্যার ধাক্কা লেগেছে দেশটির সীমান্ত লাগোয়া প্রতিবেশী উত্তর বিহারে। সেখানে মারা গিয়েছেন ১৪ জন। প্রায় ২ কোটি লোক এই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নেপালের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। হিমালয়ের কোলে অবস্থিত এই দেশের দক্ষিণের অন্তত ২৫টি জেলা বন্যায় সব থেকে বেশি প্রভাব পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার পরিবার। বৃষ্টির সঙ্গে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভূমিধস। আর এই জোড়া বিপর্যয়ে প্রতি মুহূর্তে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, বন্যা ভূমিধসে শতাধিক লোক আহত হয়েছে।  এছাড়া ৩৫ জনের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক জনজীবন থমকে গেছে।      আপাতত বৃষ্টি থেকে পরিত্রাণের কোনো সম্ভাবনা নেই বলে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতির আরো অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

আসাম পরিস্থিতিও ভয়াবহ: এদিকে, আসামে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটেছে। গতকাল পর্যন্ত রাজ্যের ২৬ লাখ লোক গৃহহীন হয়েছে বন্যার কারণে। মৃতের সংখ্যা ১১ জনে পৌঁছেছে। রাজ্যের সবকটি নদীর পানি বিপত্সীমার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। বন্যার পানির তোড়ে একের পর এক বাঁধ ভেঙে পড়ছে। ভাসিয়ে দিচ্ছে একের পর এক জনপদ। আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন দিশাহারা মানুষ। বন্যায় কেবল মানুষ নয়, গৃহপালিত জীবজন্তুরও মৃত্যু ঘটছে। ভেসে যাচ্ছে গরু, ছাগল, মহিষ, হাঁস, মুরগিসহ বিভিন্ন গৃহপালিত প্রাণী। এগুলো আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। -এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া