সুজানগর (পাবনা) সংবাদদাতা
সুজানগরের সাতবাড়ীয়ার পদ্মা নদীতে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে ঝুঁকি নিয়ে চলছে খেয়ানৌকা। যেকোনো মুহূর্তে নৌকা ডুবে ঘটতে পারে প্রাণহানির মতো ঘটনা। পদ্মাপাড়ের বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান ও ডা. লিয়াকত আলী জানান, খেয়ানৌকাগুলো খুব বেশি বড়ো নয়। সে কারণে যাত্রী ধারণক্ষমতাও খুব বেশি নয়। কিন্তু তারপরও প্রতিটি নৌকায় ৮০/৯০জন করে যাত্রী পারাপার করা হয়। বিশেষ করে সরকারিভাবে ঐ সকল নৌকায় যাত্রী পরিবহনের কোনো নীতিমালা না থাকায় মাঝিরা প্রতিনিয়ত অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পদ্মা নদী পাড়ি দিচ্ছেন।
খেয়ানৌকার যাত্রী সোহেল হাসান, মোতালেব হোসেন ও আব্দুস সালাম জানান, প্রতিটি নৌকায় যাত্রী বহনের ক্ষমতা ৫০ থেকে ৬০ জন। কিন্তু ঘাট কর্তৃপক্ষ মাঝে-মধ্যেই ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী বহন করে। এতে বিশেষ করে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
খেয়ানৌকার মাঝি শঙ্কর নাথ সরকার জানান, সরকারিভাবে যাত্রী পারাপার সংক্রান্ত কোনো নীতিমালা আমাদের দেওয়া হয় না। এ কারণে আমরা নৌকায় ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নেই। আবার অনেক সময় যাত্রীদের অনুরোধেও নিতে হয়, কিছু করার থাকে না।
পদ্মায় ঝুঁকি নিয়ে খেয়ানৌকা চলার কথা স্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজিত্ দেবনাথ জানান, শিগগিরই সরকারি নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে খেয়ানৌকায় যাত্রী পারাপারের ব্যবস্থা করবো।
