পুলিশের সঙ্গে গুলি বিনিময়, ‘পদ্মায় ডুবে’ মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যু

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০১৯, ২১:৪৯

রাজশাহীতে পুলিশের সঙ্গে গুলিবিনিময়ের সময় ‘পদ্মায় ডুবে’ এক মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার গভীর রাতে রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন পদ্মা নদীর পাঁচ নম্বর আই-বাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিনিময়ের পর ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ৭৯ বোতল ফেনসিডিল, দেশীয় তৈরি একটি শুটার গান ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। নিহত মো. আমিন মহানগরীর হাড়ুপুর এলাকার জনৈক মোহন লালের ছেলে। তার বিরুদ্ধে নগরীর বিভিন্ন থানায় ৬টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ৫টিই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গতকাল কাশিয়াডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আলী আরিফ জানান, সোমবার রাত ৩টার দিকে পুলিশের একটি দল পদ্মা নদীর পাঁচ নম্বর আই-বাঁধ এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পালটা গুলি ছোড়ে। উভয়পক্ষের   গুলিবিনিময়ের পর পুলিশ নদীর কিনারায় পানির মধ্যে আমিনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। তাকে উদ্ধার করে দ্রুত রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিত্সক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে আমিনের শরীরে গুলির কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এতে ধারণা করা হয় গুলিবিনিময়ের সময় পদ্মা নদীতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় কাশিয়াডাঙ্গা থানার তিন উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাশেদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী ও আব্দুল মতিন আহত হন বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার গোলাম রুহুল কুদ্দুস। তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

নারায়ণগঞ্জে বন্দুকযুদ্ধে

মাদক ব্যবসায়ী নিহত

এদিকে স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ জানান, গত সোমবার গভীর রাতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশে ফতুল্লার চাঁনমারী এলাকায় জেলা ডিবি পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে বিল্পব নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। এ সময় ডিবির এসআই ওসমান, এএসআই সোহেলসহ দু’জন কনস্টেবল আহত হন। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শ্যুটারগান উদ্ধার করে ডিবি। নিহত বিপ্লব চাঁনমারী বস্তির সুলতান মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ডিবির একটি সূত্র জানায়, সে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকাভুক্ত। বিপ্লবের বিরুদ্ধে শুধু ফতুল্লা থানায় ১৪টি মাদক মামলা রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতারের জন্য লিংক রোডের পাশে মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের দিকে অভিযানে গেলে ডিবি পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েকজন সন্ত্রাসী। এ সময় ডিবিও পাল্টা গুলি ছোড়ে। পরে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে সেখানে বিপ্লবের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।