সবচেয়ে বেশি বাতিল হলো স্বতন্ত্র প্রার্থী

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:৩৫

একাদশ সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের। এবার ৪৯৮ জন প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৩৮৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, বৈধ হয়েছে ১১৪ জনের। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রার্থিতার সমর্থনে আসনের এক শতাংশ ভোটারের সই না থাকা ও সই না মেলায় বেশিরভাগ মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। স্বতন্ত্র হিসেবে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত অনেক ‘বিদ্রোহী’ও ছিলেন।

এবার মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল ৩ হাজার ৬৫টি। নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ছিল ২ হাজার ৫৬৭ জন এবং স্বতন্ত্র ছিল ৪৯৮ জন।

ইসিতে পাঠানো তথ্যানুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাইয়ে সারা দেশে বিএনপির ১৪১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। ২৯৫টি আসনে বিএনপির ৬৯৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। অন্যদিকে আর ২৬৪টি আসনে আওয়ামী লীগের ২৮১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এরমধ্যে ৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ২১০টি আসনে জাতীয় পার্টি-জাপার ২৩৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৩৮ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

নেতাকর্মীদের মুক্তি চেয়ে ইসিতে ঐক্যফ্রন্টের চিঠি

রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার সকল নেতাকর্মীর মুক্তি চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার কাছে চিঠি দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। গতকাল সোমবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান সমন্বয়ক মোস্তফা মহসীন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর দেশের সবকিছু নির্বাচন কমিশনের আওতায় এসে যায়। সেই হিসেবে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণার পর রাজনৈতিক কারণে কাউকে গ্রেপ্তার করা যায় না। বিশেষ করে কোনো প্রার্থীকে হয়রানির প্রশ্নই আসে না। চিঠিতে আরও বলা হয়, রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তারকৃত যে কোনো রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিতে পারেন। অতএব, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের প্রতি আহ্বান সংবিধানের বিধান মেনে সকল রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি দানের নির্দেশ প্রদানের অনুরোধ করা গেল।  এদিকে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার পুলিশ কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করার অভিযোগ এনে তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। সোমবার দুপুরে ইসিতে এ অভিযোগ করেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়া ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।