স্পোর্টস রিপোর্টার
ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) প্রধান নির্বাহী টম হ্যারিসন বলেছেন, এমন গ্রীষ্ম এক প্রজন্মে একবার আসে। কারণও আছে এমন কথা বলার। মাত্রই শেষ হলো ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপ। আবার কিছুদিনের মধ্যে শুরু হচ্ছে সেখানে অ্যাশেজের লড়াই।
এউইন মরগ্যানের ওয়ানডে দল বিশ্বকাপ জিতে উত্সবটা শুরু করে দিয়েছে। এখন খেলা জো রুটের টেস্ট দলের হাতে। রুট তাই বলছেন, বিশ্বকাপের সাথে অ্যাশেজটাও জেতা গেলে সেটা হবে অসাধারণ এক অর্জন। তিনি তাই এই ‘ডাবল’ জিততে মরিয়া হয়ে আছেন। ১ আগস্ট থেকে এজবাস্টন টেস্টের ভেতর দিয়ে শুরু হবে এবারের অ্যাশেজ। এর আগে ইংল্যান্ড প্রস্তুতি হিসেবে আয়ারল্যান্ডের সাথে ম্যাচ খেলবে। জো রুট ছাড়া টেস্ট দলের বেশিরভাগ সদস্যই এই ম্যাচে বিশ্রামে থাকবেন। বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মরগ্যান বলেছেন, এই সময়ে অ্যাশেজের আগে টেস্ট খেলোয়াড়দের, যারা ওয়ানডে দলে ছিলেন, তাদের বিশ্রামের দরকার আছে, ‘আমার মনে হয়, সবার এটা দরকার। এই টুর্নামেন্টটা আমাদের ভেতর থেকে মানসিক ও শারীরিকভাবে অনেক কিছু শুষে নিয়েছে। আমি মনে করি, খেলোয়াড়রা যদি নিজেদের ভালোমতো দেখভাল না করে শক্তির মানটা হঠাত্ পড়ে যেতে পারে। আমি মনে করি, তাদের ভালো দেখাশোনা হবে।’
রুট বলছিলেন, খেলা ১ তারিখে শুরু হলেও তাদের অ্যাশেজ প্রস্তুতি ভেতরে ভেতরে শুরু হয়ে গেছে, ‘আমরা মাঠে মিলিত হয়ে প্রস্তুতি নিতে শুরু করার আর হয়তো সপ্তাহ খানেক বাকি আছে। কিন্তু পর্দার পেছনে এরই মধ্যে অনেক কাজ শুরু হয়ে গেছে, যাতে এটা নিশ্চিত করা যায় যে, আমরা ঠিকমতো তৈরি আছি।’
রুট মনে করেন, বিশ্বকাপ তাদের ক্লান্ত করলেও এটা যে আত্মবিশ্বাস তাদের দিয়েছে, তা অ্যাশেজে অনেক কাজে লাগবে। তিনি বলছিলেন, ‘আমরা এর থেকে ভালো অবস্থায় তো থাকতে পারতাম না। শেষ পর্যন্ত খেলোয়াড়দের যে আত্মবিশ্বাস এখান থেকে এসেছে, তা অসাধারণ। এভাবে ভাবলেই চলে যে, এই এজবাস্টনেই আমরা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেমিফাইনাল জিতেছি।’
শুধু সেমিফাইনাল নয়, শেষ পর্যন্ত প্রথম বিশ্বকাপটাও জিতেছে ইংল্যান্ড। দলটির টেস্ট অধিনায়ক রুট বলছিলেন, এখন তারা অ্যাশেজ জিতে চূড়ায় উঠতে চান, ‘এটা একটা চূড়া জয়ের মতো হবে। আমরা বছরের শুরুতে এরকম কিছুই করতে চেয়েছিলাম। দুই বা তিন বছর ধরে এই পরিকল্পনাটা করেছি। অর্ধেক কাজ শেষ হয়েছে। আশা করি, কঠোর পরিশ্রম আমাদের বাকিটাও এনে দেবে।’
