বেঁধে দেওয়া ৪৮ ঘণ্টা সময়সীমার মধ্যে কোনো সমাধান না হওয়ায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। ধর্মঘটের কারণে সিরাজগঞ্জ থেকে কোনো প্রকার বাস, ট্রাক, সিএনজি, অটোরিকশা চলাচল করছে না। এমনকি কোনো কোনো এলাকায় শ্রমিকরা রিকশা চলাচলে বাধার সৃষ্টি করছে। ফলে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সব ধরনের যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। স্কুলের ছোটো ছোটো বাচ্চাদের বইয়ের ব্যাগ কাঁধে নিয়ে কষ্ট করে হেঁটে হেঁটে স্কুলে যেতে হয়। শ্রমিক নেতৃবৃন্দের কাছে অভিভাবকদের দাবি এসব শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে রিকশা ধর্মঘটের বাইরে রাখার। সিরাজগঞ্জ বাস-মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতির সভাপতি জিন্না আলমাজি বলেন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাদের দাবি পূরণ না হওয়ায় এই ধর্মঘট শুরু হয়েছে। এতেও তাদের দাবি পূরণ না হলে আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
ঢাকার মহাখালি বাসমালিক সমিতি রুট পারমিট না নিয়েই কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে কয়েকদিন আগে জোর করে সিরাজগঞ্জ-ঢাকা রুটে ১৪টি বাস চালানো শুরু করে। সিরাজগঞ্জ মালিক সমিতি জেলা প্রশাসকের নিকট মহাখালি সমিতির এ সকল বাস চলাচল বন্ধ করার জন্য আবেদন করেন। জেলা প্রশাসক গত ৯ জুলাই ১০ দিনের মধ্যে দুই মালিক সমিতিকে বসে বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য সিদ্ধান্ত দেয়। কিন্তু মহাখালি মালিক সমিতি হঠাত্ করেই গত শনিবার সকালে মহাখালি টার্মিনালে থাকা সিরাজগঞ্জের সব কাউন্টার বন্ধ করে দেয়। সেই সঙ্গে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী বাস আটকে রাখে এবং শ্রমিকদের বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখায়। এসব ঘটনার প্রতিবাদে গত শনিবার সকাল থেকে সিরাজগঞ্জ-ঢাকা রুটে সব বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে সিরাজগঞ্জ বাসমালিক সমিতি।
