ঐ যে দেখছেন না বাহে ঐখানে বাড়ি আছিল । তিস্তা ভাঙতে ভাঙতে আজ নিঃস্ব করেছে মানুষকে। এই জীবনে ছয়বার বাড়ি ভাংচুং বাহে। আর এবার হলে সাতবার হইবে। ছয়বার নদী ভাঙনের শিকার নুর ইসলাম নাড্ডা (৮০)। বাড়ি উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের শংকরদহ গ্রামে। তিস্তার ভাঙন এলাকায় সম্প্রতি কথা হয় নাড্ডার সঙ্গে। নাড্ডার মতো শত শত পরিবার আজ তিস্তার করাল গ্রাসে নিঃস্ব। নদী ভাঙনের শিকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। নদী ভাঙনের কবলে পড়ে অনেক অবস্থাসম্পন্ন কৃষক এখন দিনমজুর, রিকশাচালক কিংবা হোটেল শ্রমিক। হতদরিদ্রের খাতায় উঠছে তাদের নাম। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত তিস্তার ভাঙনে কত পরিবার নিঃস্ব হয়েছে তার সঠিক হিসেব না থাকলেও প্রতিবছর ২০০/৪০০ পরিবার গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙনে সর্বহারা হয়েছে। গঙ্গাচড়া উপজেলা অফিসের এক হিসেব মতে শুধু এ বছর প্রায় ২০০ পরিবার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছেন। এখনো ভাঙছে।
