দুই হাজার কর্মী ছাঁটাই করছে জনস হপকিন্স

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০২৫, ১২:২৭

যুক্তরাষ্ট্রের মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় জনস হপকিন্স বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) জানিয়েছে, তারা বিশ্বজুড়ে দুই হাজারেরও বেশি কর্মী ছাঁটাই করবে। ট্রাম্প প্রশাসনের বৈদেশিক সাহায্য তহবিলে ব্যাপক হ্রাসের পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঘোষণা দিলো। খবর এএফপির। 

শীর্ষস্থানীয় বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আমাদের সমগ্র সম্প্রদায়ের জন্য এটি একটি কঠিন দিন। ইউএসএইড ৮০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি তহবিল বন্ধ করে দেওয়ায়, এখন আমাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজ বন্ধ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। 

মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়টি মার্কিন রাজধানীর উত্তরে মেরিল্যান্ডের বৃহত্তম শহর বাল্টিমোরে অবস্থিত। রাজধানী থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টি এক ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি ৪৪টি দেশের প্রকল্পগুলোতে কমপক্ষে ১ হাজার ৯৭৫ জন ও যুক্তরাষ্ট্রে ২৪৭ জন কর্মী ছাঁটাই করার সিদ্বান্ত নিয়েছে। 

নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ধনকুবের প্রযুক্তিবিদ ইলন মাস্ক ফেডারেল ব্যয় কমানোর জন্য বিদেশি সাহায্য, গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএইড)-এর এই সহায়তা তহবিল বন্ধ করে দিয়েছে।  জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি।  

মার্চের শুরুর দিকে, জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি রোনাল্ড ড্যানিয়েলস ছাত্র ও অধ্যাপকদের উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় বলেছিলেন, গত বছর তাদের প্রাপ্ত তহবিলের প্রায় অর্ধেকই ফেডারেল অর্থ।  

রোনাল্ড ড্যানিয়েলস প্রথম আমেরিকান গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যবিধি ও চিকিৎসা উন্নত করার জন্য পরিকল্পিত কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থী, গবেষক ও অধ্যাপকদের ক্ষতি হবে।   

বিশ্ববিদ্যালয়টি জানিয়েছে, জনস হপকিন্স জাপাইগো, ব্লুমবার্গ স্কুল অফ পাবলিক হেলথ ও স্কুল অফ মেডিসিন আমাদের সহকর্মীদের মা ও শিশুদের যত্ন নেওয়া, রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা এবং বিশ্বজুড়ে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ ও জীবন রক্ষাকারী প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য যে কাজ করেছে, তাতে তারা অত্যন্ত গর্বিত। 

ইত্তেফাক/এসআর