রোভার স্কাউটিংয়ে
সেরা অর্জন
রাকিবুল হাসান রাকিব
সবার জীবনেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সময়টুকু অনেক স্মৃতিময় এবং অভিজ্ঞতায় ঠাসা। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রোভার স্কাউট একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। যারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় ক্যাম্পিংয়ের মাধ্যমে স্কাউটিংয়ের নানা জ্ঞান অর্জন করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সেবামূলক কাজে জড়িত। সুযোগ রয়েছে চার বছরে কঠোর পরিশ্রমের পর দেশের রাষ্ট্রপতির হাত থেকে রোভার স্কাউটিংয়ে সর্বোচ্চ পুরস্কার প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করার। তাই রোভার স্কাউট যারা করেন তাদের একটা স্বপ্নই বলা চলে এটি। এমন তিনজন স্বপ্নদর্শী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি কঠোর মানসিক এবং শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জন করেছেন এই অ্যাওয়ার্ড। বলছিলাম মো. রেজাউল হক রাশেদ, আবদুল্লাহ আল আজাদী এবং কাজী মো. নাসির উদ্দিনের কথা। তিনজনই বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী। বর্তমানে রাশেদ মাস্টার্স করছেন কৃষিতত্ত্ব বিভাগে, আজাদী উদ্যানতত্ত্ব বিভাগে এবং নাসির করছেন অ্যানিমেল নিউট্রিশন বিভাগে। বিভিন্ন সেবামূলক কাজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শুরু করেছিলেন তাদের রোভার স্কাউটিংয়ের জীবন। অর্জন করতে হবে রোভার স্কাউটে জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ পুরস্কার প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড। পড়াশোনার পাশাপাশি ক্যাম্পিংয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে চার বছরে তাদের অর্জন করতে হয়েছে পরিভ্রমণকারী ব্যাজ, রোভার কুশলী ব্যাজ, শিক্ষকতা ব্যাজ, স্কাউট ইনস্ট্রাক্টর ব্যাজসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যাজ। এরপর ২০১৭ সালে তারা আবেদন করেন প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ডের জন্য, অবশেষে মনোনীতও হলেন। তবে এরপরও পার করতে হয়েছে কিছু অগ্নিপরীক্ষা। অংশগ্রহণ করতে হয়েছে বিভিন্ন পরীক্ষায়। এত বাধা পেরিয়ে অবশেষে বাকৃবির সেই তিন স্বপ্নদর্শী পেলেন তাদের সেই স্বপ্নকে। সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইননিটিউটে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ স্কাউটস জাতীয় কাউন্সিলের ৪৭তম বার্ষিক সভায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কাছ থেকে প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন এই তিন রোভার।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
২১তম ব্যাচের স্মৃতিময় দিন
মালেক সরদার
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত বিভাগের কোনো ব্যাচ ক্লাস পার্টি করেনি। বিভাগের ইতিহাসে আমরাই প্রথম ব্যাচ যারা এত আয়োজন করে ক্লাস পার্টি করতে যাচ্ছি। সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে শুরু হলো ক্লাস পার্টির পরিকল্পনা। চাঁদা তোলা, ক্লাস পার্টির দিন কী কী করা হবে, ব্যানার তৈরি, ভেন্যু ঠিক করা থেকে সবকিছুই গোছাতে নেমে পড়ল কয়েকজন। অবশেষে আমাদের মাঝে উপস্থিত হলো সেই বহুল প্রতীক্ষিত দিনটা। সকাল নয়টার মধ্যে সবাই উপস্থিত হলো ক্লাসে। সে এক অন্যরকম আনন্দঘন মুহূর্ত। কেক কাটার মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠান শুরু হলো। এবার স্মৃতিচারণের পালা। এরপর আমরা দলবেধে ক্যাম্পাসে বেরিয়ে পড়লাম ফটোসেশন করার জন্য। ছবি তোলা শেষ করে পৌঁছালাম হোটেল ডালাস ইন্টারন্যাশনালে। দেশাত্ববোধক গান, কবি তাওহিদের স্বরচিত কবিতা, পিয়াসের কণ্ঠে জেমসের গান, বন্ধুদের উদ্দেশ্যে লেখা ও সুর করা রুহুল আমিনের গানে মুহূর্তের মধ্যে জমে উঠল পুরো অনুষ্ঠান।
