রোহিঙ্গা নির্যাতনের তদন্তে সকল পক্ষের সহযোগিতা চায় আইসিসি

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০১৯, ০০:১৭

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধ তদন্তে সকল পক্ষের কার্যকর, সময়োপযোগী এবং দৃশ্যমান সহযোগিতা চায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রসিকিউটরা। গতকাল বৃহস্পতিবার আইসিসির ডেপুটি প্রসিকিউটর জেমস স্টুয়ার্ট ঢাকায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন। তিনি জানান, অক্টোবরের পর আমরা তদন্ত শুরুর অনুমতি চেয়েছি। যদি আমাদেরকে প্রি-ট্রায়াল চেম্বার অনুমতি দেয় তবে অতি দ্রুত আমাদের তদন্ত শুরু করতে পারবো। এ বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা করতে গত ১৬ জুলাই ডেপুটি প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসেন। জেমস স্টুয়ার্ট বলেন, যেখানেই আমরা কাজ করি সেখানে একটি সমঝোতা স্মারক সই করা একটি সাধারণ নিয়ম।

আইসিসি মিয়ানমারে তদন্ত করবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি। কিন্তু আলোচনার সুযোগ এখনও আছে। মিয়ানমার আইসিসির সদস্য নয়। তবে বাংলাদেশ আইসিসির সদস্য। মিয়ানমার সদস্য না হলেও এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব। তদন্ত কতদিন চলবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যতদিন লাগবে ততদিন, কারণ এটি সহযোগিতা, নিরাপত্তসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে।

আইসিসির প্রসিকিউটর ফেতু বেনসুদার তদন্ত শুরু করার অনুমতির বিষয়ে তিনি বলেন, বিচারকরা বেনসুদার অনুরোধ বিবেচনা করছে এবং এ বিষয়ে তারা সিদ্ধান্ত দেবেন। রোহিঙ্গা নির্যাতনের তদন্ত ও বিচারে আইসিসি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই বিচার প্রক্রিয়ায় আইসিসির কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ নেই।