রিকশা বন্ধের সিদ্ধান্তে অনড় সাঈদ খোকন

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০১৯, ২০:৪৩

পর্যায়ক্রমে বন্ধের পক্ষে আতিকুল ইসলাম

ইত্তেফাক রিপোর্ট

সড়কে শৃঙ্খলা এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর দুটি প্রধান সড়কসহ তিনটি রুটে রিকশা চলাচল বন্ধ ঘোষণার পর রিকশাচালক ও মালিকরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে রিকশা চলাচলে অভ্যস্ত নাগরিকরাও তাদের চরম ভোগান্তির কথা জানান। এরপর ঢাকার দুই সিটির মেয়র রিকশা মালিক-শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে সম্প্রতি পৃথক বৈঠক করেন। এতে মালিক-শ্রমিকদের পক্ষ থেকে প্রধান সড়কে আলাদা লেন করে রিকশা চলাচলের দাবি করা হলেও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন রিকশা বন্ধের পূর্ব ঘোষিত সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন। তবে উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, পর্যায়ক্রমে রিকশা চলাচল বন্ধ করা হবে।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রাজধানীর প্রধান তিনটি সড়কে রিকশা চলাচল বন্ধ থাকবে। রিকশা মালিক ও শ্রমিকদের দাবির প্রেক্ষিতে আমরা অচিরেই সব অবৈধ ও ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করব। যেসব রাস্তায় রিকশা বন্ধ করা হবে, নগরবাসীর সুবিধার্থে সেসব রাস্তায় কমপক্ষে বিআরটিসির ২০ থেকে ৩০টি বাস নামানো হবে।

এর আগে গুলশানের ডিএনসিসির নগর ভবনে রিকশা-ভ্যান মালিক ও চালক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো.আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রগতি সরণি (কুড়িল বিশ্বরোড থেকে মালিবাগ পর্যন্ত সড়ক) থেকে পর্যায়ক্রমে রিকশা চলাচল বন্ধ করা হবে। ডিএনসিসির অধীনে ২ হাজার ৩০০ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে শৃঙ্খলা আনার স্বার্থে মাত্র ১৫ কিলোমিটার সড়কে রিকশা চলাচল বন্ধ রাখা হবে।

রিকশা-ভ্যান মালিক ও চালক সমিতির নেতৃবৃন্দের বক্তব্যের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে মেয়র বলেন, অবৈধ রিকশা চলাচল পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা উচিত। এ লক্ষ্যে সকল বৈধ রিকশা মালিকদের ‘কিউ আর কোড’ প্রদান করা হবে, যাতে অবৈধ রিকশা শনাক্ত করা যায়। তিনি বৈধ রিকশাচালকদের ডাটাবেস প্রস্তুত এবং ওয়ার্ডভিত্তিক রিকশাচালকদের পোশাক প্রদান করার প্রস্তাব করেন।