স্পোর্টস রিপোর্টার
স্টিভ রোডসের বিদায়ে আবারও বাংলাদেশ জাতীয় দলের জন্য হেড কোচ খুঁজছে বিসিবি। গণমাধ্যমের কারণে আলোচনায় এসেছিল খালেদ মাহমুদ সুজনের নাম। কিন্তু বিসিবির হেড কোচ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে আবেদনই করেননি সাবেক এ অধিনায়ক। তবে বিসিবির এ পরিচালক মনে করেন, বাংলাদেশ জাতীয় দলকে পরিচালনা করতে প্রস্তুত দেশীয় কোচরা। এক্ষেত্রে ঘরোয়া ক্রিকেটের পরীক্ষিত ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের গুরু মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের নামও উল্লেখ করেছেন সুজন।
গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দেশীয় কোচদের নিয়ে সুজন বলেছেন, ‘আমরা অবশ্যই মনে করি আমরা প্রস্তুত। এটি আসলে একটি সাহসের ব্যাপার যে আপনারা বাংলাদেশি কাউকে সাহস করে দায়িত্ব দিতে চান কি না যারা লিড করতে পারে। আমাদের এখানে আপনি যদি বলেন স্পিন বোলিং কোচের কথা আমার মনে হয় সোহেল অনেকদিন থেকে কাজ করছে এবং ভালোভাবেই করছে। এমন অনেক ছেলেই আছে যাদের কথা আমি বলতে পারি যারা কি না এ লেভেলে অবশ্যই অনেক কাজ করে, চিন্তা করে এবং তাদের সময় পুরোটাই ক্রিকেটের জন্য ব্যয় করে।’
বিসিবির ঊর্ধ্বতনরা এখনো দেশীয় কোচদের প্রতি আস্থা পাচ্ছেন না বলে মনে করেন সুজন। তবে সুযোগ দেওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন তিনি। গতকাল বলেছেন, ‘সালাউদ্দিন এর আগে কাজ করেছে। আমিও জেমি সিডন্সের অধীনে সহকারী কোচ ছিলাম। আমাদের যে জাতীয় দলে অভিজ্ঞতা নেই তেমনটি না আসলে। অনেকের অনেক আছে এবং ভালোভাবেই আছে বলে আমি মনে করি। আমাদের আসলে একটি সুযোগের ব্যাপার।’
দেশীয় কোচ রাখার সুবিধাগুলোও তুলে ধরেছেন বিসিবির গেম ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান। শ্রীলঙ্কা সফরে তার ওপরই থাকছে টাইগারদের ভারপ্রাপ্ত কোচের দায়িত্ব। গতকাল সুজন বলেছেন, ‘তামিম যেমন ঢাকায় এসেই ব্যাটিংয়ের কাজ শুরু করলো, তখন একজন স্পেশালিস্ট ব্যাটিং পরামর্শক থাকা আমি মনে করি খুব জরুরি। যে কি না ব্যাটিং কোচ সে হয়তো ঐ সময় আসতে পারছে না। তামিমকেও সাহায্য করতে পারছে না। এ জন্যই আমি বলি যে স্থানীয় কোচ যারা কি না ২৪ ঘণ্টা থাকবে, কেউ যদি ফোন করে বলে যে ভাই আমি অনুশীলন করতে আসবো।’
বিসিবির বিদেশি নির্ভরতা রয়েছে দেখেই হেড কোচ পদে আবেদন করেননি সুজন। তবে টাইগারদের ড্রেসিংরুম পরিচালনার সামর্থ্য নিজের আছে বলেই বিশ্বাস করেন তিনি।
