রাজশাহীতে স্ত্রীকে জবাই করে থানায় স্বামী!

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০১৯, ২১:৩১

রাজশাহীর পবা উপজেলার বায়া ভোলাবাড়ি গ্রামে ২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল স্ত্রীকে প্রকাশ্যে জবাই করে হত্যার পর পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল স্বামী আয়নাল হক। বৃহস্পতিবার দুপুরে মহানগর দায়রা জজ আদালত ঘাতক আয়নালকে ফাঁসির আদেশ দেয়।

এদিকে, বৃহস্পতিবার রাতেই এ উপজেলায় এমন আরেকটি হূদয় বিদারক ঘটনা ঘটিয়েছে রেন্টু আহমেদ ওরফে শরিফুল নামের আরেক ব্যক্তি। উপজেলার কলার টিকর গ্রামের কাশেম উদ্দিন খোকার ছেলে শরিফুল প্রথমে তার স্ত্রীকে ঘুমন্ত অবস্থায় মাথায় আঘাত করে এবং পরে গলা ও পায়ের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে। এ ঘটনার পর রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরের দামকুড়া থানায় হাজির হয়ে রেন্টু পুলিশকে জানায়,  সে স্ত্রী লাভলী বেগমকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। এরপর পুলিশ তাকে আটক করে রাতেই লাভলীর লাশ উদ্ধার করে।

দামকুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, রেন্টুর অভিযোগ তার স্ত্রী পরকীয়া প্রেমে জড়িয়েছিলেন, তাই তাকে হত্যা করেছেন। রেন্টু একজন নির্মাণশ্রমিক। তার দুটি সন্তানও রয়েছে। কয়েক বছর আগে একই উপজেলার সাইরপুকুর গ্রামের বাবলু মিয়ার মেয়ে লাভলীর সঙ্গে রেন্টুর বিয়ে হয়।

ওসি আরো জানান, নিহত লাভলীর লাশ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় লাভলীর বাবা রেন্টুর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন। দুপুরে রেন্টুকে আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠায়।