বিজ্ঞান
হিমন এডওয়ার্ড গমেজ, সিনিয়র শিক্ষক
সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
১. পানি চক্রে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে কীসে পরিণত হয়?
উত্তর : পানি চক্রে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে ুক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পানিকণায় পরিণত হয়।
২. বাষ্পীভবন কী?
উত্তর : কোনো পদার্থ তরল অবস্থা থেকে বায়বীয় অবস্থায় পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াই বাষ্পীভবন।
৩.ঘনীভবন কাকে বলে?
উত্তর : কোনো পদার্থ বায়বীয় বা গ্যাসীয় অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ঘনীভবন বলে।
৪.পানি চক্র কাকে বলে?
উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় পানি বিভিন্ন অবস্থায় পরিবর্তিত হয়ে ভূপৃষ্ঠ ও বায়ুমণ্ডলের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে তাই পানি চক্র।
৫.বরফকে তাপ দিলে পানি হয়, পানিকে তাপ দিলে কী হয়?
উত্তর : বরফকে তাপ দিলে পানি হয়, পানিকে তাপ দিলে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়।
৬.বৃষ্টির পর মাটিতে পানি জমা হয়। কিছুক্ষণ পর সেই পানি অদৃশ্য হয়ে যায়। ওই পানি কোথায় যায়?
উত্তর : বৃষ্টির পর পানি সাধারণত মাটিতে শোষিত হয় অথবা নদীতে গড়িয়ে পড়ে। মাটিতে শোষিত হয়ে বৃষ্টির পানি ভূগর্ভস্থ পানি হিসেবে জমা হয়।
৭.তুমি এক গ্লাস পানিকে শীতল করলে তা কীসে পরিণত হবে?
উত্তর : এক গ্লাস পানিকে শীতল করলে তা জমে কঠিন পদার্থে অর্থাত্ বরফে পরিণত হবে।
৮. মেঘ কীভাবে সৃষ্টি হয়?
উত্তর : সাগর ও নদীর পানি বাষ্পীভূত হয়ে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। বাষ্পীভূত পানি উপরে উঠে ঠাণ্ডা ও ঘনীভূত হয়ে পানির বিন্দুতে পরিণত হয়। ক্ষুদ্র ক্ষুুদ্র পানির বিন্দু একত্রিত হয়ে মেঘ সৃষ্টি করে।
৯. পানি দূষণ প্রতিরোধের একটি করণীয় লেখ।
উত্তর : পানি দূষণ প্রতিরোধের একটি করণীয় হলো— কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমানো।
১০. দুটি পানিবাহিত রোগের নাম লেখ।
উত্তর : দুটি পানিবাহিত রোগ—
i. ডায়রিয়া ও ii. আমাশয়।
১১. আমাদের দেহে পানির মাধ্যমে কীভাবে চর্মরোগ ছড়ায়?
উত্তর : নদীনালা, খালবিল, পুকুর ইত্যাদির দূষিত পানি এবং আর্সেনিকযুক্ত নলকূপের পানি ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের দেহে চর্মরোগ ছড়ায়।
১২. পানি দূষণের দুটি কারণ লেখ।
উত্তর : পানি দূষণের দুটি কারণ হলো—
i. কৃষিকাজে ব্যবহূত কীটনাশক, কলকারখানার রাসায়নিক দ্রব্য, গৃহস্থালির বর্জ্যের মাধ্যমে পানি দূষিত হয়।
ii. নদী বা পুকুরে গরু-ছাগল গোসল করানো এবং কাপড়-চোপড় ধোয়ার কারণে পানি দূষিত হয়।
১৩.পানি বিশুদ্ধকরণ কী?
উত্তর : মানুষের ব্যবহারের জন্য পানিকে গ্রহণযোগ্য ও নিরাপদ করার ব্যবস্থাকেই পানি বিশুদ্ধকরণ বলে।
১৪. বন্যা বা জলোচ্ছ্বসের সময় কীভাবে পানি বিশুদ্ধ করবে?
উত্তর : ফিটকিরি, ব্লিচিং পাউডার ও পানি বিশুদ্ধকরণের মাধ্যমে।
১৫. পুকুরের পানি থেকে কীভাবে নিরাপদ পানি পাবে?
উত্তর : ছাঁকন প্রক্রিয়ায় ছেঁকে পুকুরের পানি পরিষ্কার করা যায়। কিন্তু সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করার জন্য পানিকে ২০ মিনিটের বেশি সময় ধরে ফুটাতে হবে।
১৬. পানি বিশুদ্ধকরণের দুটি রাসায়নিক পদার্থের নাম লেখ।
উত্তর : পানি বিশুদ্ধকরণের দুটি রাসায়নিক পদার্থ হলো—
i. ফিটকিরি ও ii. ব্লিচিং পাউডার।
