বাসস
বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মানুষের চন্দ্রাভিযানের ৫০ বছর উদ্যাপিত হয়েছে। গতকাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সহায়তায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াড ২০১৯, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং রকেট মডেল বানানোর প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ৩টি বিভাগের বিজয়ীদের মধ্য থেকে সিনিয়র গ্রুপে আট জন এবং জুনিয়র গ্রুপে ১৬ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার ও রাশিয়ান কালচারাল সেন্টারের পরিচালক ম্যাক্সিম এতে উপস্থিত ছিলেন।
প্রায় ২৫০ প্রতিযোগী অ্যাস্ট্রো অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করেন। ৩টি বিভাগের বিজয়ীদের মধ্য থেকে সিনিয়র গ্রুপে আট জন এবং জুনিয়র গ্রুপে ১৬ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে বিজয়ীদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে সেখান থেকে নির্বাচিত সেরা পাঁচ জনকে রোমানিয়ায় অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসট্রো-অলিম্পিয়াড-এ অংশগ্রহণের জন্য পাঠানো হবে। এছাড়াও দুই জনকে রাশিয়ায় অধ্যয়নের জন্য স্কলারশিপ প্রদান করা হবে।
এছাড়া জাদুঘরের মহাকাশ গ্যালারিতে ‘টাইমলাইন অব এক্সপ্লোরেশন ডিসপ্লে প্রদর্শন এবং সন্ধ্যা ৭টা থেকে শক্তিশালী টেলিস্কোপের সাহায্যে আকাশ পর্যবেক্ষণ করা হবে।
