দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটে তলিয়ে গেছে যাত্রী পারাপার সেতু, দুর্ভোগ

আপডেট : ২০ জুলাই ২০১৯, ২১:৫৪

পদ্মা নদীতে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধির ফলে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের যাত্রী পারাপার সেতু ডুবে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন লঞ্চ যাত্রীরা।  অন্যদিকে নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এতে দৌলতদিয়া ঘাটে আটকা পড়েছে কয়েকশ বাস, ট্রাকসহ ছোটো যানবাহন।

গতকাল শনিবার দুপুরে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট ঘুরে দেখা গেছে, ঘাটের ২টি যাত্রী পারাপার সেতুর একাংশ পানিতে ডুবে গেছে। সেখানে বালির বস্তা ফেলছেন শ্রমিকরা। এছাড়া দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে কয়েকশ পণ্যবাহী ট্রাকসহ নানা ধরনের যানবাহন।  এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএর উপ-সহকারী প্রকৌশলীশাহ আলম জানান, পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের পন্টুনের সঙ্গে সংযুক্ত দুটি যাত্রী ব্রিজের একাংশ ডুবে যাওয়ায় যাত্রীদের সমস্যা হচ্ছে। তবে বালির বস্তা ফেলে জাগিয়ে রাখা হয়েছে ব্রিজের পন্টুন সংযুক্ত পাটাতন।

দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের ম্যানেজার নুরুল আনোয়ার মিলন বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৮টি লঞ্চ সার্বক্ষণিক যাত্রী পারাপার করছে। তবে ঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে পাটুরিয়ায় পৌঁছাতে স্বাভাবিক সময়ে ২০/২৫ মিনিট সময় লাগত। কিন্তু পানি বৃদ্ধি ও স্রোতের কারণে এখন ৩৫/৪০ মিনিট এবং পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে আসতে প্রায় ১ ঘণ্টার মতো সময় লাগছে।

বিআইডব্লিউটিসির ব্যবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ জানান, পদ্মা নদীতে প্রচণ্ড স্রোত থাকায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ফেরিগুলোর নদী পারাপারে তিনগুণ বেশি সময় লাগছে। তাছাড়া এ রুটে চলাচল করা ১৪টি ফেরির মধ্যে ২টি ফেরি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বসা আছে। ফলে যানবাহন পারাপারে একটু সমস্যা হচ্ছে।