চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল জুলফিকার আজিজ বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দরসহ তত্সংলগ্ন বিমানবন্দর সড়কের যানজট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে সকল সংস্থার সমন্বয়ের বিকল্প নেই। গতকাল শনিবার বন্দর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, লরিসহ যানবাহনের ব্যাপক জট সৃষ্টি হচ্ছে। এ থেকে উত্তরণে বন্দরের গৃহীত পদক্ষেপের ওপর এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের বাইরের সড়কসমূহের যানজট কমাতে হলে প্রস্তাবিত দুইটি রিং রোডের অবিলম্বে বাস্তবায়ন দরকার। এর একটি হলো— আগ্রাবাদ এক্সেস রোড, বড়োপোল সড়ক, আনন্দবাজার ইপিজেড সড়ক এবং অন্যটি হচ্ছে জিইসি-সাগরিকা ও বেড়িবাঁধ সড়ক। একইসাথে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষও ট্রাকলরি, ট্রেইলার, কাভার্ডভ্যানের জট কমানোর জন্য কাজ শুরু করেছে। বন্দর অভিমুখী যানবাহনসমূহ শৃঙ্খলার সাথে চলাচলের জন্য অটোমেশন সিস্টেম চালু করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বন্দরের যানবাহন ও গণপরিবহন একই সড়কে চলাচল এবং বিকল্প সড়ক না থাকায় যানজট তীব্র আকার ধারণ করে।
চবক চেয়ারম্যান আরো বলেন, বন্দর অবকাঠামো উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল, বে-টার্মিনাল ও ওভার ফ্লো ইয়ার্ড নির্মাণ। বে-টার্মিনালের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। বে-টার্মিনালে আলাদা ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ হবে। ফলে বন্দর অভিমুখী ট্রাকের চাপ কমে যাবে। এতে করে চট্টগ্রাম শহরে যানজট কমে যাবে।
চেয়ারম্যান বলেন, চট্টগ্রাম থেকে রেলপথে কন্টেইনার পরিবহন বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিদিন দুইটির স্থলে চারটি কন্টেইনারবাহী ট্রেন ঢাকার আইসিডিতে যাবে। তিনি বন্দরের পাশ দিয়ে বিমানবন্দর অভিমুখী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের ক্ষেত্রে সড়কে যাতে যানজট সৃষ্টি না হয় সেজন্য গৃহীত পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরেন।
