ওজন কম হওয়ায় ফেরত গেল জেলেদের বিতরণের জন্য আনা ৪০ বাছুর

আপডেট : ২১ মে ২০২৫, ১৫:২৯

ওজনে কম এবং রুগ্ন হওয়ায় জেলেদের মধ্যে বিতরণের জন্য আনা ৪০টি বকনা বাছুর ফেরত পাঠিয়েছেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক রিফাত আরা মৌরি।

মঙ্গলবার (২০ মে) উপজেলা পরিষদ চত্বরে ৬৫ মৎস্যজীবীর মধ্যে বকনা বাছুর বিতরণকালে ঘটে এ ঘটনা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশীয় প্রজাতির মাছ, শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গৌরনদী উপজেলা মৎস্য অফিস ও উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ চত্বরে ৬৫ মৎস্যজীবীর মধ্যে বকনা বাছুর বিতরণের জন্য আনা হয়। দেশীয় মাছের প্রজনন রক্ষার্থে ও জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে মৎস্য অধিদপ্তর। প্রকল্পে কাজ পান সিমেন্স এলাইন্স বিডি লিমিটেড নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

চুক্তি অনুযায়ী একটি ট্রাকে করে দিনাজপুর থেকে ট্রাকযোগে বাছুরগুলো গৌরনদী পরিষদ চত্বরে আনা হয়। তবে যাচাই-বাছাইয়ের সময় ধরা পড়ে বাছুরের ওজন ৭০ কেজি হওয়ার কথা থাকলেও সেগুলো ছিল ৫০ থেকে ৫৫ কেজির মধ্যে। এ অবস্থায় জেলেদের মাঝে বিতরণ না করে বাছুরগুলো ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন ইউএনও রিফাত আরা মৌরি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি বলেন, বাছুরগুলোর ওজন কম থাকায় তা ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে শিডিউল অনুযায়ী বাছুর সরবরাহ করতে বলেছি। অন্যথায় বাছুরগুলো গ্রহণ করা হবে না।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রসেনজিৎ দেবনাথ বলেন, সুবিধাভোগীদের মধ্যে বকনা বাছুর বিতরণের জন্য এসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেখতে পান বকনা বাছুর রুগ্ন এবং খুবই কম ওজনের। ৭০ কেজি ওজনের বাছুর দেওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারের সরবরাহকৃত বাছুরের ওজন ছিল ৫০ থেকে ৫৫ কেজি। তাই এগুলো ফেরত পাঠিয়েছেন। 

এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক ধীরেন্দ্র নাথের পক্ষে বাছুর নিয়ে আসা ব্যক্তিরা দাবি করেছেন, দিনাজপুর থেকে ট্রাকযোগে বাছুরগুলো নিয়ে আসার কারণে ওজন কিছুটা কমে গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/এপি