রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষককে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ ধরা পড়ার পর ‘হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজি’ চাঞ্চল্যকর ঘটনায় সেই শিক্ষক ও ছাত্রীকে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩৯তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে জানিয়েছেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন।
অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষক ও ছাত্রী বিভাগের কোনো ধরনের একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না বলে সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনা অধিকতর তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এর আগে, গত ২১ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের একাডেমিক সভার সিদ্ধান্তমতে, অভিযুক্ত ওই শিক্ষক ও ছাত্রীকে বিভাগের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। সেদিনই হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে সাংবাদিকসহ চার শিক্ষার্থীর নামে মামলা করেন ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষক হেদায়েত উল্লাহ।
তখন মামলার বাদী হেদায়েত উল্লাহ বলেন, ‘আমি চার জনের নামে মামলা করেছি। এর আগেও সাংবাদিকদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছি। আমার শিক্ষার্থীর সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে যে অপবাদ তারা চারজন দিয়েছেন এবং আমার কাছ থেকে তিন লাখ দুই হাজার পাঁচশ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন সেই প্রতিবাদে মামলা করেছি।’
মূলত গত ১৪ মে কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। এতে দেখা যায়, ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষক হেদায়েত উল্লাহ তার চেম্বারে এক ছাত্রীর সঙ্গে অবস্থান করছেন। ছাত্রী মাথায় কাপড় পেঁচিয়ে নিজেকে আড়াল করছেন। শিক্ষকও ক্যামেরা থেকে নিজেকে আড়ালের চেষ্টা করছেন। এ ঘটনার পর নানা আলোচনা-সমালোচনা চলতে থাকে।

জিম্মি করে চাঁদাবাজির অভিযোগে সাংবাদিকসহ চার শিক্ষার্থীর নামে সেই শিক্ষকের মামলা