জীবসেবার মাধ্যমে কী লাভ করা যায়?

আপডেট : ২২ জুলাই ২০১৯, ১৯:২৮

১.তুমি জীবসেবা করবে কেন?        

উত্তর : জীবসেবা করলে জীবের মঙ্গল হবে। জীবসেবা করলে নিজেরা শান্তি পাব। ঈশ্বর সন্তুষ্ট হবেন।

২.জীব সেবার মাধ্যমে কী লাভ করা যায়?         

উত্তর : জীবসেবার মাধ্যমে ঈশ্বর লাভ করা যায়। কারণ ঈশ্বর জীবদেহে আত্মারূপে বিরাজ করেন।

৩.ধর্মদেব অতিথি হয়ে এসেছিলেন কেন?          

উত্তর : ধর্মদেব ব্রাহ্মণকে পরীক্ষা করার জন্য অতিথি হয়ে এসেছিলেন। ব্রাহ্মণ কেমন জীবসেবা করেন তা পরীক্ষা করতে।

৪.‘যত্র জীবঃ তত্র শিবঃ’ এ কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর : ‘যত্র জীবঃ তত্র শিবঃ’ এ কথাটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে, যেখানে জীব সেখানেই শিব। এখানে শিব মানে ঈশ্বর।

৫.উঞ্চবৃত্তি বলতে কী বোঝ?

উত্তর : কৃষকেরা জমির ধান কেটে নেওয়ার পর জমিতে যা দু-একটা ছড়া পড়ে থাকে, তা কুড়িয়ে নিয়ে খিদে মেটানোকে উঞ্চবৃত্তি বলা হয়।

৬. ব্রাহ্মণদের পরিবারে ঠিকমতো খাবার জুটত না কেন?

উত্তর : ব্রাহ্মণদের পরিবারে ঠিকমতো খাবার জুটত না, কারণ ব্রাহ্মণ ধর্মসাধনা ও বিদ্যাচর্চায় সময় কাটাতেন।

৭.সবকিছু কে সৃষ্টি করেছেন? ঈশ্বরের আরেক নাম কি?

উত্তর : সবকিছু ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন। ঈশ্বরের আরেক নাম পরমাত্মা।

৮.জীবনে চলার পথে আমরা কার করুণা লাভ করতে চাই?

উত্তর : জীবনে চলার পথে আমরা ঈশ্বরের করুণা লাভ করতে চাই।

৯.আমরা ঈশ্বরের কী করি? ঈশ্বর কেমন?

উত্তর : আমরা ঈশ্বরের স্তব-স্থতি করি। ঈশ্বর নিরাকার।

১০.যেখানে জীব, সেখানেই কী? জীবের মধ্যে ঈশ্বর কীরূপে অবস্থান করেন?

উত্তর : যেখানে জীব সেখানেই শিব। জীবের মধ্যে ঈশ্বর আত্মারূপে অবস্থান করেন।

১১.ঈশ্বর কীরূপে জীবকে পরিচালনা করেন?      

উত্তর : ঈশ্বর আত্মারূপে জীবকে পরিচালনা করেন।

১২.আমরা পোষা জীবজন্তুর পরিচর্যা করব কেন?

উত্তর : আমরা ঈশ্বরের সন্তুষ্টির জন্য পোষা জীবজন্তুর পরিচর্যা করব।

১৩.আমরা জীবকে কী জ্ঞানে সেবা করব? জীব সেবা করলে কে সন্তুষ্ট হবেন?

উত্তর : আমরা জীবকে ঈশ্বর জ্ঞানে সেবা করব। জীব সেবা করলে ঈশ্বর সন্তুষ্ট হবেন।

১৪.দরিদ্র ব্রাহ্মণের ঘরে কে কে আছে? ব্রাহ্মণ কী করে সংসার চালাতেন?

উত্তর : দরিদ্র ব্রাহ্মণের ঘরে আছে স্ত্রী, ছেলে ও ছেলের বউ। উঞ্ছবৃত্তি করে ব্রাহ্মণ সংসার চালাতেন।

১৫. ব্রাহ্মণের ঘরে অতিথিরূপে কে এসেছিলেন?

উত্তর : ব্রাহ্মণের ঘরে অতিথিরূপে ধর্মদেব এসেছিলেন।

প্রথম পরিচ্ছেদ : ঈশ্বরের স্বরূপ

১৬.হিরণ্যকশিপু বিষ্ণুবিরোধী হয়ে উঠলেন কেন?

উত্তর : শ্রীবিষ্ণু হিরণ্যাকে বধ করেছেন জেনে তাঁর ভাই হিরণ্যকশিপু খুব ক্রুদ্ধ হলেন। তাই তিনি প্রচণ্ড বিষ্ণুবিরোধী হয়ে উঠলেন।