পাকিস্তানে ছাত্রকে ধর্ষণের পর আটকে রাখার অভিযোগ, মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

আপডেট : ০৩ জুন ২০২৫, ১০:৫৫

পাকিস্তানের মুজাফফরগড়ের বেত মির হাজার খান এলাকায় মাদ্রাসার এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে সোমবার (২ জুন) দেশটির পুলিশ এই তথ্য জানিয়েছে। খবর ডনের।   

মুজাফফরগড় জেলা পুলিশ কর্মকর্তা রিজওয়ান আহমেদ খান বলেছেন, জাতই তেহসিলের ওই শিক্ষক এক ছাত্রকে ধর্ষণের পর মাদ্রাসায় পাঁচদিন ধরে আটকে রাখে- যেন সে এই ঘটনা বাইরে না জানায়।  

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ম্যাসাজ করে নেওয়ার অজুহাতে ভুক্তভোগী ছাত্রকে রুমে ডাকে অভিযুক্ত শিক্ষক, এরপর তাকে ধর্ষণ করে। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষকের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে।   

বেত মির হাজার খান স্টেশন হাউজ অফিসার বলেছেন, এই ধরনের নৃশংস ব্যক্তিকে আইন অনুসারে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে এমন ব্যক্তি কোনও ধরনের ছাড় পাওয়ার  যোগ্য নয়। 

এ ছাড়া দেশটির পুলিশ জানিয়েছে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে তারা এক দর্জির ছেলেকে গ্রেপ্তার করবে। 

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কট সুলতানের রিয়াজাবাদ এলাকায় ঘটেছে এই ঘটনা। ভুক্তভোগী শিশু দর্জির কাজ শিখতে গেলে দর্জির ছেলে তাকে ধর্ষণ করেছে।

ভুক্তভোগী জানিয়েছে, অভিযুক্ত বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করে এবং তা ভিডিও ধারণ করে। এরপর ওই ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল করার হুমকি দিয়ে ছয়মাস ধরে ধর্ষণ করছিল। 

ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, তিনি তার মেয়েকে জিজ্ঞেস করলে এই ঘটনা সম্পর্কে মুখ খুলে। মেডিক্যাল পরীক্ষায় ভুক্তভোগী শিশু পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে রিপোর্ট এসেছে।

ভুক্তভোগীর বাবার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে কট সুলতান পুলিশ স্টেশনে মামলা হয়েছে। 

ইত্তেফাক/এসআর