ইসরায়েলকে সতর্ক করেছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শনিবার টেলিফোনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সঙ্গে কথোপকথনের সময় তিনি বলেন, আবারও হামলা চালালে আরও কড়া জবাব দেওয়া হবে। খবর বিবিসি।
ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘জায়নবাদীদের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ইরানি সেনাবাহিনী আরও কড়া এবং শক্তিশালী পদক্ষেপ নেবে।’
এদিকে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি জানিয়েছেন, রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরমাণু চুক্তিবিষয়ক বৈঠকটি বাতিল হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার মধ্যস্থতাকারী বুসাইদি তার এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘রোববার মাস্কাটে ইরান-আমেরিকার অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকটি আর হচ্ছে না। তবে কূটনীতি এবং দীর্ঘ মেয়াদি শান্তির জন্য আলোচনাই একমাত্র সমাধান।’
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, চলমান সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা অযৌক্তিক।
গত শুক্রবার ইরানে ইসরায়েলের হামলায় দেশটি বেশ কয়েকজন শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা ও পরমাণু কর্মসূচির সঙ্গে সম্পর্কিত বিজ্ঞানীর মৃত্যু হয়। ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করতে ইসরায়েল এ হামলা চালায়। প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা করে ইরান।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনের এক খবরে বলা হয়েছে, তেহরানের একটি আবাসিক এলাকায় ইসরায়েলের হামলায় ২০ শিশুসহ অন্তত ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির অন্যান্য স্থানেও হামলার তথ্য পাওয়া গেছে। ইসরায়েলের দাবি, তারা ইরানজুরে ১৫০টি লক্ষ্যে আঘাত করেছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলে ইরানের মিসাইল হামলার খবরে দেশটির বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। গতরাতে অন্তত ৩ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, চার ধাপে ইরান প্রায় ২০০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে।
