বান্দরবান ও সাতক্ষীরায় দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

আপডেট : ২২ জুলাই ২০১৯, ২২:১৮

বান্দরবানে তারাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মংমং থোয়াই মারমা? (৫০) সন্ত্রাসীদের গু?লিতে নিহত হয়েছেন।  সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রোয়াংছড়ি উপজেলা থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বান্দরবান জেলা সদরে আসার পথে রোয়াংছড়ি-বান্দরবান সড়কের শামুকছড়ি এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে অন্তত ৫ বার গুলি করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মংমং থোয়াই মারমা। তিনি তারাছা ইউনিয়নের বাসিন্দা ?মিক্যা জাই মারমার ছেলে।

জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম জাহাঙ্গীর বলেন, রোয়াংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন নিয়ে রোয়াংছড়ি বাজারের এক হলরুমে প্রস্তুতি সভাশেষে ফিরছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মংমং থোয়াই মারমা। পথে ব্রাশ ফায়ারে তাকে হত্যা করা হয়। তার অভিযোগ, আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে এবং পাহাড়ে আধিপত্য বজায় রাখতে জনসংহতি সমিতির অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে একের পর এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা করছে। সদর থানার ও?সি শ?হিদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

অর্ধদিবস হরতালের ডাক, বিক্ষোভ মিছিল

বান্দরবানে তারাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মংমং থোয়াই মারমাকে হত্যা। প্রতিবাদে সোমবার সন্ধ্যায় জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার রোয়াংছড়ি উপজেলায় অর্ধদিবস হরতালের ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

সাতক্ষীরায় সন্ত্রসীদের গুলিতে

আওয়ামী লীগ নেতা  নিহত

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানান, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলামকে (৪৮) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরতলীর কাসেমপুর স্টোন ব্রিকস্ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুচপুকুর গ্রামের মৃত নিছার আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম সকালে কদমতলা বাজার থেকে বাজার করে বাড়ি ফিরছিলেন। সদর উপজেলাধীন কদমতলা-বৈকারি সড়কের কাসেমপুর স্টোন ব্রিকস্ এলাকায় পৌঁছালে সেখানে অগে থেকে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এসময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মোটরসাইকেল চালিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। কাসেমপুর হাজামপাড়া এলাকায় এসে মোটরসাইকেল থেকে রাস্তায় পড়ে যান নজরুল ইসলাম। সেখানেই তিনি মারা যান। ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী সাতক্ষীরা-বৈকারি সড়ক অবরোধ করে রাখে।

খবর পেয়ে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইলতুিমশ ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

এর আগে তার ভাই সিরাজুল ইসলামকে বোমা মেরে এবং বছর দুইয়েক আগে তাঁর ভাইপো যুবলীগ নেতা রাসেল কবীরকেও গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।