ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গনে বিলীন অর্ধশত বসতবাড়ি ও ফসলি জমি 

আপডেট : ১৮ জুন ২০২৫, ২০:৫৫

ব্রহ্মপুত্র নদে পানি কমার কারণে ভাঙ্গনের শিকার কুড়িগ্রামের চিলমারী এলাকার বাসিন্দারা। পানি কমে যাওয়ায় নদী-পাড় ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়েছে বলে জানান তারা। তবে সরকারি সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। 

জানা গেছে, গত ৩ দিনের ভাঙ্গনে অর্ধশত বসতবাড়ি ও কয়েকশ একর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। নার্সারি বাগান, রাস্তা-ঘাট, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষালয়, নদী-সংলগ্ন ঘর বিলীন হয়ে যাচ্ছে। নয়ারহাট ইউনিয়নের বজরাদিয়ারখাতা, গোরারকুঠি, চিলমারী ইউনিয়নের কড়াই-বরিশাল এলাকায় নদী ভাঙ্গন অতিরিক্ত পরিমাণে দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছে বলে জানা যায়। 

বজরাদিয়ারখাতা এলাকার নদী ভাঙ্গনের শিকার মোখলেছুর রহমান সরকারি সুবিধা পাননি অভিযোগ করে বলেন, নদী ভাঙ্গনে এখন বাড়ি ঘর সরিয়ে পরিবার নিয়ে অন্যের যায়গায় থাকছি। সরকারি কোনও সহায়তা পায়নি আমরা।  

কড়াই বরিশাল নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাদাকাত হোসেন জানান, নদের পানি কমায় ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত কয়েকদিনে এ এলাকার ২০টি বাড়ি, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাকা রাস্তা ও মসজিদ বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনের শিকার গৃহহীন মানুষেরা বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়ে অতিকষ্টে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানান এই শিক্ষক।  

তবে ভাঙ্গন রোধে পাউবো-কে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নয়ারহাট ইউনিয়নের প্রশাসক সবুজ কুমার বসাক। 

তিনি জানান, ইতোপূর্বে যারা নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়েছেন তাদের সাহায্যের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যের নিকট তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা পেলে সাহায্য প্রদান করা হবে।

ইত্তেফাক/এএইচপি