ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় তেহরানে নিজেদের দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। একই সঙ্গে দেশটির সব কূটনৈতিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২০ জুন) এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, 'আমাদের রাষ্ট্রদূত ইতোমধ্যে ইরান ছেড়েছেন, তবে তিনি ওই অঞ্চলে অবস্থান করবেন যাতে প্রয়োজনে সংকটকালীন সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয়।'
তিনি জানান, ইরান ছাড়তে আগ্রহী অস্ট্রেলীয় নাগরিকদের সহযোগিতা করার জন্য দেশটির সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এই প্রক্রিয়ায় অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা হচ্ছে।
এছাড়া, অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিভাগ (DFAT) আজারবাইজান এবং এর সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে কনস্যুলার কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে, যেন ইরান থেকে নিরাপদে বেরিয়ে আসা নাগরিকদের সরাসরি সহায়তা দেওয়া যায়।
উল্লেখ্য, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষিতে তেহরানে কূটনীতিক ও বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এর আগে, আরও কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের ইরান ত্যাগের আহ্বান জানিয়েছিল।
এই ঘটনার মধ্যে ইরানে বিদেশি দূতাবাসগুলোর কার্যক্রমও সীমিত বা স্থগিত করার প্রবণতা বাড়ছে, যা অঞ্চলটিতে ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগের প্রতিফলন।

