শরীয়তপুরের নড়িয়ায় কীর্তিনাশা নদীর ওপর নির্মাণাধীন ফুট বেইলি ব্রিজ দ্বিতীয়বারের মতো বাল্কহেডের ধাক্কায় ভেঙে পড়েছে। ভেঙে পড়া অংশটি নিয়ে কিছুক্ষণ যাওয়ার পরে বাল্কহেডটিও নদীতে ডুবে যায়।
সোমবার (২৩ জুন) সকালে উপজেলার নড়িয়া বাজার সংলগ্ন কীর্তিনাশা নদীর ওপর নির্মাণাধীন ফুট বেইলি সেতুতে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে ২০২৪ সালের ২ অক্টোবর সেতুটি বাল্কহেডের ধাক্কায় ভেঙে পড়েছিল।
স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে কীর্তিনাশা নদীর ওপর ‘ভাষা সৈনিক গোলাম মাওলা সেতুর’ নির্মাণকাজ চলমান। নির্মাণ কাজের সুবিধার জন্য ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে পুরানো সেতুটি ভেঙে ফেলা হয়। পরবর্তীতে জনসাধারণের হাঁটাচলার জন্য নদীর ওপর একটি ফুটওভার সেতু নির্মাণ করা হচ্ছিলো। ২০২৪ সালের ২ অক্টোবর একটি বালুভর্তি বাল্কহেড ফুট বেইলি সেতুর নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় সেতুর পিলারের সঙ্গে ধাক্কা দেয়। এতে সেতুটির একটি অংশ ভেঙে পড়ে।
একই ফুটওভার সেতুটিতে সোমবার সকালে একটি বালুবোঝাই বাল্কহেড ধাক্কা দেয়। এতে সেতুটির একটি অংশ ভেঙে বাল্কহেডে পড়ে যায়। পড়ে সেতুটির ভাঙা অংশসহ বাল্কহেডটি কিছুদূর এগিয়ে পাড়ে ভিড়ানোর সময় বাল্কহেডটি ধীরে ধীরে পানিতে তলিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী আলম বেপারি বলেন, এই সেতুর জন্য দুই পাড়ের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলো। মানুষ ট্রলারে করে নদী পার হয়। হাঁটাচলার জন্য একটি ফুটওভার সেতু নির্মাণ করা হচ্ছিলো। সেটিও সোমবার সকালে বাল্কহেডের ধাক্কায় ভেঙে যায়। আমরা চাই দুর্ঘটনা এড়াতে নতুন সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করা হোক।
সুরেশ্বর নৌ পুলিশের ইনচার্জ আব্দুল জলিল জানান, কীর্তিনাশা নদীর উপর নির্মাণাধীন বেইলি সেতুর সঙ্গে বাল্কহেডের ধাক্কা লাগায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম উদ্দিন মোল্লা বলেন, কীর্তিনাশা নদীর উপর নির্মাণাধীন সেতুটি ভেঙ্গে পড়ার ঘটনাটি শুনেছি। খোঁজখবর নিয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আশুগঞ্জে রেল সেতুতে ধাক্কা, তলিয়ে গেছে পণ্যবাহী বাল্কহেড