আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সাম্প্রতিক ঘন ঘন অগ্নিকাণ্ড, ধর্ষণ ও গণপিটুনির ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হবে। যে কোনো ঘটনার একটা স্বাভাবিকতা আছে আর একটা অস্বাভাবিকতা আছে। আপনারা যদি আগুন লাগার ঘটনা দেখে থাকেন। তাহলে দেখবেন, এটা কন্টিনিউয়াস ঘটতে থাকল। তারপরে ধর্ষণের ঘটনা কন্টিনিউয়াস ঘটতে থাকল। এখন গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে। এটা অস্বাভাবিক।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতিসংঘ নির্যাতন বিরোধী কনভেনশন (ইউএনসিএটি) বিষয়ে সিভিল সোসাইটির সঙ্গে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, হঠাত্ এক মাসে সাত দিনের মধ্যে ১১টা গণপিটুনির ঘটনা ঘটে গেল। এইগুলো আমরা তদন্ত করব। তিনি বলেন, কাউকে পিটানো একটা অপরাধ। গণপিটুনির ঘটনায় যাদেরকে ধরা হচ্ছে তাদেরকে দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে। দেশের প্রচলিত আইনে যে বিচার তাদের হওয়া উচিত সেই বিচার হবে। এর আগে আইনমন্ত্রী বলেন, দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যার পরিমাণ কমেছে। একটাও যাতে বিচার বহির্ভূত হত্যা না হয়, আমরা সে দিকেই অগ্রসর হচ্ছি।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম জাতিসংঘে নির্যাতন বিরোধী প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। বৈষম্য দূর করার জন্য সরকার বৈষম্য বিরোধ আইন প্রণয়ন করছে। এ আইনের খসড়া ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে। আগামী মাসে এটি মন্ত্রিপরিষদে পাঠানো হবে এবং সেখানে অনুমোদিত হলে সংসদের আগামী অধিবেশনে এটি পাশের জন্য পাঠানো হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শহিদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক বক্তৃতা করেন। সিভিল সোসাইটির সদস্যবৃন্দ জাতিসংঘ নির্যাতন বিরোধী কনভেনশন এবং বাংলাদেশে এর প্রেক্ষিত নিয়ে আলোচনা করেন।
